পাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথা
জুন ২৪, ২০২৬
চীনের প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জুন ২৪, ২০২৬
পাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথা
জুন ২৪, ২০২৬
চীনের প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জুন ২৪, ২০২৬

জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছর কারাদণ্ড

 

জুয়া, অনলাইন জুয়া, অনলাইন বাজি, ম্যাচ ফিক্সিং, স্পট ফিক্সিং, ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে জুয়ার অর্থ লেনদেন এবং ভিপিএন বা মিরর সাইট ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনায় শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তোলা হয়েছে।

১৮৬৭ সালের ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট’ রহিত করে ‘জুয়া প্রতিরোধ’ আইন করতে জুয়া প্রতিরোধ বিল-২০২৬ আনা হয়েছে।

এতে জুয়া, অনলাইন জুয়া, বাজি (বেটিং), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ মোট ২৪ ধরনের বিষয় সংজ্ঞায়ন করে অপরাধ অনুযায়ী ১৪ ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

এই বিলে উল্লিখিত দণ্ড অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে দুই বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কেউ অনলাইন বেটিংয়ে সম্পৃক্ত হলে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের সাজা হবে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *