মধ্যরাতে বেশি লোডশেডিং, আমদানির বিদ্যুৎ কমায় সরবরাহে আরো চাপ
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
খুলে দেয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
মধ্যরাতে বেশি লোডশেডিং, আমদানির বিদ্যুৎ কমায় সরবরাহে আরো চাপ
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
খুলে দেয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

পানিতে ডুবে দুই জেলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু

পৃথক এসব ঘটনায় দুই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পাবনা ও কক্সবাজারে পানিতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল পাবনা সদর উপজেলার জমিতে জমে থাকা পানিতে নেমে ভাইবোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু হয়। একই দিন কক্সবাজারের টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপসংলগ্ন নাফ নদীতে গোসল করতে গিয়ে প্রাণ হারায় আরো দুই শিশু। পৃথক এসব ঘটনায় দুই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বণিক বার্তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে বিস্তারিত—
পাবনা: সদর উপজেলার চর তারাপুর ইউনিয়নের নবীন বাজার দাশপাড়া গ্রামের শিমুল মল্লিকের মেয়ে সুমি খাতুন (৭), একই গ্রামের মো. আশরাফুল ইসলামের ছেলে খালিদ হোসেন (৮) ও মেয়ে আফিয়া খাতুন (৬)। তারা স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ির পাশের জমিতে জমে থাকা বর্ষার পানিতে গোসল করতে নামে শিশুরা। একপর্যায়ে একজন পানিতে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে অন্য দুজন। এ সময় তারাও পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তিন শিশুকে পানি থেকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করেন। তবে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম।
কক্সবাজার: টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটসংলগ্ন নাফ নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে মারা যায় দুই শিশু। নিহতরা হলো সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভী মাহমুদুল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ নিশান (১২) ও কেফায়েত উল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ আরজিন (১৫)।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, ‘‌শাহপরীর দ্বীপ জেটিসংলগ্ন নাফ নদীতে গোসল করার সময় দুই শিশু মারা যায়। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর স্থানীয়রা নাফ নদীর চর থেকে তাদের উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।’
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নুসরাত জাহান জানান, নাফ নদী থেকে উদ্ধার করে দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তবে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *