
পরিশোধনাগারে যুদ্ধের ধাক্কা জাহাজের জ্বালানি তেল সংকটের আশঙ্কা
সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬
দেশের সবচেয়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম
সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে কয়লা পৌঁছানোর জন্য দৈনিক ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।
ভারতে বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুদ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রেলপথে কয়লা পরিবহন বাড়িয়েছে দেশটির সরকার। গতকাল ভারতের কয়লা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য বিজনেসলাইন।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত আগস্টের শেষেও ৪৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার ঘাটতি ছিল। তবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮টিতে। এর মধ্যে ৫৩টিই দেশীয় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে তিনদিনেরও কম সময়ের কয়লা মজুদ রয়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে কয়লা পৌঁছানোর জন্য দৈনিক ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর কয়লা পরিবহনে ৩৭০টি ট্রেন ব্যবহার করা হলেও ৬ সেপ্টেম্বর তা বাড়িয়ে ৪৪৪টিতে উন্নীত করা হয়।
ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড়ের মতো কয়লাপ্রধান রাজ্যগুলোয় ভারি বৃষ্টির কারণে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন ও পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই আসে কয়লা থেকে। ফলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কোল ইন্ডিয়া জানিয়েছে, খনিগুলোয় এখনো ৭ কোটি ৬০ লাখ টন কয়লা মজুদ রয়েছে। পরিবহন ব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক করে সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে।


