গাড়ি রাখা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা সাভারে পুলিশের এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬
বাড্ডায় ফার্নিচার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬
গাড়ি রাখা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা সাভারে পুলিশের এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬
বাড্ডায় ফার্নিচার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬

হাম ও উপসর্গে আরো চার শিশুর মৃত্যু মোট প্রাণহানি ৯৯১

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ৭৬১ শিশুকে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৭১ শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ১০৫।
দেশে হামে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরো তিনজন। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৯১। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে নিশ্চিত হামে একজন ও হামের উপসর্গে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গে মারা গেছে দুজন। একই সময়ে সারা দেশে ৭৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে ৮৪৩ জনের শরীরে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ৭৬১ শিশুকে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৭১ শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ১০৫। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৬৪১ জন। এছাড়া এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশের হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ২১৪। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২১ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে।
রোগতত্ত্ববিদরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে এতে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হয়। প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে যত মৃত্যু হচ্ছে, তার সবই হামে মৃত্যু বলে বিবেচনা করা হয়।
দেশে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ঢাকা বিভাগে ৬৩ জন। এর পরই আছে বরিশাল বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৯ জন। আর ১০ জন মারা গেছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ সময় সিলেট ও রাজশাহী বিভাগে তিনজন করে মারা গেছে। আর ময়মনসিংহে মারা গেছে দুজন।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪০১ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৫৪ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৯২, ময়মনসিংহে ৭৫, চট্টগ্রামে ৬৪, বরিশালে ৫৬, খুলনায় ৩৫ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
টিকাদান কর্মসূচি শুরুর প্রায় চার মাস পরও প্রতিদিন হাজারের বেশি বা কাছাকাছি শিশুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়াকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, হামের উপসর্গ থাকলেও সব রোগীর ল্যাবরেটরি পরীক্ষা করা হয় না। নির্দিষ্টসংখ্যক রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে রোগের প্রকোপ সম্পর্কে ধারণা করা হয়। ফলে ওই রোগীদের মধ্যে কারা প্রকৃতপক্ষে হামে আক্রান্ত, তা নির্ধারণে আরো বিস্তৃত নমুনা পরীক্ষা প্রয়োজন। একই সঙ্গে টিকা প্রয়োগের পাশাপাশি টিকা-পরবর্তী রোগপ্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়েছে কিনা এবং টিকা সংরক্ষণ ও পরিবহনের সময় কোল্ড চেইন ঠিক ছিল কিনা, সেটিও যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *