দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে র‌্যাম্প ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে বাস
জুন ৫, ২০২৬
নতুন বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নই হোক অগ্রাধিকার
জুন ৫, ২০২৬
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে র‌্যাম্প ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে বাস
জুন ৫, ২০২৬
নতুন বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নই হোক অগ্রাধিকার
জুন ৫, ২০২৬

প্রাক-বর্ষা জরিপের ফলাফল প্রকাশ ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৭ ওয়ার্ড

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতেই এডিস মশার ঘনত্ব নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডকে চিহ্নিত করা হয়েছে ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে বেশি বা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে। ডিএসসিসির নগর ভবন মিলনায়তনে গতকাল আয়োজিত ‘বর্ষাপূর্ব এডিস মশার লার্ভা জরিপের ফলাফল প্রকাশ ও কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন’ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সংস্থাটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

​জরিপের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে প্রশাসক আবদুস সালাম জানান, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ কর্মীর মাধ্যমে এ জরিপ পরিচালিত হয়। গত ১২-২৩ মে পর্যন্ত আধুনিক ‘কবো টুলবক্স’ প্রযুক্তির মাধ্যমে ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরিদর্শনকৃত বাড়ির মধ্যে ২৮১টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে।

বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ, স্বতন্ত্র বা একক বাড়িতে ২৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ, নির্মাণাধীন ভবনে ১৭ দশমিক ৪৪ ও সেমিপাকা বাড়িতে ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত হয়েছে। মেঝেতে জমে থাকা পানিতে ১২ দশমিক ৬, বালতিতে ১০ দশমিক ৩৪ ও প্লাস্টিকের ড্রামে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র পাওয়া গেছে। ​

ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম ও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, এ জরিপের ওপর ভিত্তি করে ৭ জুন থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে পাঁচ দিনব্যাপী ‘বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম’ চালানো হবে। পরবর্তী সপ্তাহে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ৩৬টি ওয়ার্ডেও একই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। ​এছাড়া ৬ জুন ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর থেকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে, যা পরবর্তী সময়ে অন্যান্য এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে। ​

ডিএসসিসির প্রশাসক আরো বলেন, ‘‌শুধু সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাসাবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার রাখা এবং প্রতি তিনদিন অন্তর জমে থাকা পানি অপসারণের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।’ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সঠিক তথ্য প্রচারের জন্য তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *