
হামের উপসর্গে আরো আট শিশুর মৃত্যু, মোট ৫৮৩
মে ৩১, ২০২৬
জিয়ার আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মে ৩১, ২০২৬ঈদুল আজহাকে ঘিরে গত তিনদিনে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে পাঁচ লাখেরও বেশি কাঁচা চামড়া এসেছে।
চামড়া শিল্পনগরীর বিসিক কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহরাজুল মাইয়ান গতকাল বিকালে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মেহরাজুল মাইয়ান জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৭১২টি ট্রাকে করে শিল্পনগরীতে এসেছে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৬৭৬টি কাঁচা চামড়া। এর মধ্যে গরু ও মহিষের চামড়া রয়েছে ৫ লাখ ১১ হাজার ৫৪০টি এবং ছাগল-ভেড়ার চামড়া ১৬ হাজার ১৩৬টি।
সরজমিনে শিল্পনগরী ঘুরে দেখা যায়, দিনভর একের পর এক ট্রাকে করে কাঁচা চামড়া ট্যানারিগুলোয় পৌঁছাচ্ছে। শিল্পনগরীর প্রধান ফটক থেকে শুরু করে ট্যানারির ভেতর পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েনি। চামড়া আনলোড, সংরক্ষণ এবং লবণজাত করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা।
মেহরাজুল মাইয়ান বলেন, ‘শিল্পনগরীতে আসা চামড়াগুলো দ্রুত সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতের কাজ চলছে। ঈদের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে বিসিক, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। চামড়া পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায়ও নেয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি।
শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালনকারী কর্মীরা জানান, ঈদের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোরবানির পশুর চামড়াবাহী প্রথম ট্রাকটি শিল্পনগরীতে প্রবেশ করে। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে চামড়াবাহী যানবাহনের চাপ।
তারা আরো জানান, দিনের শুরুতে আসা চামড়ার বড় অংশই ছিল রক্তমাখা কাঁচা চামড়া। ট্যানারিতে পৌঁছানোর পর শ্রমিকরা দ্রুত সেগুলোতে লবণ প্রয়োগ করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। কোরবানির পর দ্রুত বিক্রির উদ্দেশ্যে অনেক চামড়া শিল্পনগরীতে আনা হয় বলে সেগুলোতে আগে থেকে লবণ দেয়া থাকে না।
ট্যানারিসংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে এটি বছরের সবচেয়ে বড় মৌসুম হওয়ায় চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণে বাড়তি সতর্কতা নেয়া হয়েছে। অনেক ট্যানারিতে আগে থেকেই কিছু চামড়া মজুদ থাকলেও নতুন করে সংগ্রহ কার্যক্রমও পুরোদমে চলছে।
এদিকে শুক্রবার বিকালে চামড়া শিল্পনগরী পরিদর্শন করেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন ট্যানারি ঘুরে দেখেন এবং মালিকদের সঙ্গে শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন কার্যক্রম ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।


