১৫ মাসে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার অর্থ ও সম্পত্তি জব্দ
মে ১৯, ২০২৬
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ঊর্ধ্বমুখী: ওয়াশিংটনে শামা ওবায়েদ
মে ১৯, ২০২৬
১৫ মাসে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার অর্থ ও সম্পত্তি জব্দ
মে ১৯, ২০২৬
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ঊর্ধ্বমুখী: ওয়াশিংটনে শামা ওবায়েদ
মে ১৯, ২০২৬

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি সহায়তায় আরো ৩৫ কোটি ডলার (বর্তমান বিনিময় হার অনুসারে, প্রায় ৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা) অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।

গতকাল বিশ্বব্যাংক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এটি বিশ্বব্যাংকের ‘এনার্জি সেক্টর সিকিউরিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’-এর অতিরিক্ত অর্থায়নের অংশ।

বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশ বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প-কারখানা পরিচালনায়, আমদানীকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও সরবরাহ ঝুঁকি বেড়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সরকারি অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত হলে জ্বালানি ও সার সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দরিদ্র জনগোষ্ঠী।

সহায়তার উদ্দেশ্যে সংস্থাটি জানায়, এ অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মধ্যে এলএনজি আমদানির জন্য সাশ্রয়ী অর্থায়ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি পেট্রোবাংলার এলএনজি আমদানির অর্থ পরিশোধে সহায়তার পরিধিও বাড়ানো হবে। ফলে পেট্রোবাংলা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবে, ব্যয়বহুল স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভরতা কমাবে এবং আরো নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে। নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানি উৎপাদন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, এ অতিরিক্ত অর্থায়ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) সমর্থিত একটি পেমেন্ট গ্যারান্টি-ভিত্তিক অর্থায়ন সুবিধার আওতায় দেয়া হবে। এর মাধ্যমে স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ সুবিধার মাধ্যমে এলএনজি আমদানির অর্থ পরিশোধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এসব ব্যবস্থার ফলে বাংলাদেশ আরো স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি ক্রয় ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হতে পারবে, পাশাপাশি বাজারের অস্থিরতার সময় প্রয়োজনীয় নমনীয়তাও বজায় থাকবে।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান ডিভিশনাল ডিরেক্টর জিন পেসমে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে এলএনজির দাম বেড়েছে এবং সরবরাহে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য এটি বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করছে। এ সহায়তা বাংলাদেশকে স্থিতিশীল এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিতে সহায়তা করবে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *