শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের দিন
মে ৯, ২০২৬
খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
মে ৯, ২০২৬
শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের দিন
মে ৯, ২০২৬
খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
মে ৯, ২০২৬

প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে দেয়া হবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষকদের দক্ষতার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ ছাড়া শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে নেয়া হয়েছে। এ কারণে সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক তার বিরুদ্ধে মিছিলও করেছেন। তবে সরকার এ অবস্থান থেকে সরে আসবে না। তিনি জানান, প্রশিক্ষণ শেষ করে আগামী ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে এসব শিক্ষক আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে এখন আর শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে দেয়া হবে না।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীতে ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে সিপিডির নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

শিক্ষকদের দক্ষতার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ ছাড়া শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে নেয়া হয়েছে। এ কারণে সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক তার বিরুদ্ধে মিছিলও করেছেন। তবে সরকার এ অবস্থান থেকে সরে আসবে না। তিনি জানান, প্রশিক্ষণ শেষ করে আগামী ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে এসব শিক্ষক আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, গত কয়েক বছরে শিক্ষা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন সরকার সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার কাজ করছে। তিনি জানান, বেসরকারি স্কুলগুলোর তদারকির জন্য একটি নিয়ন্ত্রক পর্ষদ গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ১৪ মে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। কিছু ভবন এতটাই জরাজীর্ণ যে সেগুলো নতুন করে নির্মাণ করা ছাড়া উপায় নেই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বলতে শুধু ভবন বোঝায় না। ভবনের নকশার সঙ্গে শিক্ষাদানের প্রক্রিয়ার সমন্বয় করেও কাজ করতে চায় সরকার।

জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার সমমানের শিক্ষাক্রম চালুর চেষ্টা করছে। আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য একটি টেকসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে সেটি জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে। এ শিক্ষাক্রম তৈরিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় থাকবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *