
অগ্নিকাণ্ড
মে ৯, ২০২৬
প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে দেয়া হবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
মে ৯, ২০২৬পাকিস্তান শুধু টসটাই জিতল। মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন তিনটা সেশনেই কর্তৃত্ব করেছে বাংলাদেশ।
শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের চেনা ২২ গজে পাকিস্তানি বোলারদের ওপর কর্তৃত্ব করে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তুলে নেন ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে দেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাগাভাগি করা মুমিনুল ১৪তম সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৯ রান দূরে থাকতে আউট হয়ে গেলেন। মুশফিক হাফ সেঞ্চুরির দোরগোড়ায়। এ তিনজনের দাপুটে ব্যাটিংয়ে মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩০১ রান।
প্রথম দিনের তিনটি সেশনে যথাক্রমে ১০১, ১০০ ও ১০০ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
সকালে শুরু থেকেই সিম মুভমেন্টের সামনে ধুঁকছিলেন দুই ওপেনার। টাইগার শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। মাত্র ৮ রান করে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। কিছুক্ষণ পরই হাসান আলীর বলে ১৩ রানে আউট হন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম। স্কোর তখন ৩১/২। এরপর মুমিনুল হককে নিয়ে সতর্কভাবে ব্যাটিং শুরু করেন শান্ত। প্রথম ১০ ওভার ছাড়া পাকিস্তানি পেসাররা পিচ কিংবা কন্ডিশনের কোনো সহায়তা পাননি। ২৫৭ বল মোকাবেলায় ১৭০ রানের জুটি গড়ে মজবুত এক ভিত্তি গড়ে দেন শান্ত ও মুমিনুল।
বিশাল এক জুটি গড়ে মোহাম্মাদ আব্বাসের লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন শান্ত। ১৩০ বল মোকাবেলায় ১২ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ১০১ রান করেন শান্ত। এরপর হাল ধরেন মুমিনুল ও মুশফিক। পাকিস্তানের এলোমেলো বোলিংয়ের সুবিধা পুরোপুরি আদায় করে নেন দুজন। দুজনের ১৩০ বলে খেলা ৭৫ রানের জুটি ভেঙেছেন নোমান আলী। ১৪তম সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে আউট হওয়া মুমিনুলকে লেগ বিফোর করেন স্পিনার নোমান আলী।
৭০ বলে ২৫ রানের জুটি গড়ে দিন পার করে দেন মুশফিক ও লিটন দাস। মুশফিক ১০৪ বলে ৪৮ ও লিটন ২৫ বলে ৮ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
নতুন ও পুরনো বলে দারুণ বল করেছেন আব্বাস। বাকি সবাই ধুঁকেছেন। বল করা পাঁচজনের মধ্যে চারজন একটি করে উইকেট নিয়েছেন। উইকেট পাননি শুধু সালমান আগা। পাকিস্তানের স্লো ওভার রেটের কারণে দিনের খেলা ৩০ মিনিট বাড়িয়েও ৮৫ ওভারের বেশি করতে পারেনি অতিথি দলের বোলাররা।
টেস্টে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ডটা ভাগাভাগি করছেন মুমিনুল ও মুশফিক। এ টেস্টের আগ পর্যন্ত দুজনই করেছেন ১৩টি করে সেঞ্চুরি। এটা মুমিনুলের ৭৬তম ও মুশফিকের ১০১তম টেস্ট। ১৪তম সেঞ্চুরি করে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন মুমিনুল। আজ মুশফিক কি পারবেন মুমিনুলকে পেছনে ফেলে দেশের হয়ে সেঞ্চুরির রেকর্ডটা নিজের করে নিতে?


