লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর শান্তি আলোচনা ‘অযৌক্তিক’: ইরান
এপ্রিল ৯, ২০২৬
যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
এপ্রিল ৯, ২০২৬
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর শান্তি আলোচনা ‘অযৌক্তিক’: ইরান
এপ্রিল ৯, ২০২৬
যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
এপ্রিল ৯, ২০২৬

শর্তের বেড়াজালে ‘ভঙ্গুর’ যুদ্ধবিরতি, কাটছে না অনিশ্চয়তা

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হয়েছে। দুই পক্ষই এটিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে দাবি করলেও মধ্যপ্রাচ্যে হামলা-পাল্টাহামলা থামেনি।

গতকাল লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২৫০ জন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতে পাল্টাহামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। ফলে এ যুদ্ধবিরতি কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরাও যুদ্ধবিরতিকে অত্যন্ত ‘ভঙ্গুর’ বলে অভিহিত করেছেন। তারা বলছেন, যেকোনো সময় যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নিজেও একে ‘ফ্র্যাজাইল’ বা ভঙ্গুর বলে সতর্ক করেছেন। পরিস্থিতিকে আরো অনিশ্চিত করে তুলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অপ্রত্যাশিত ও দ্রুত অবস্থান বদলানোর প্রবণতা। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একদিকে আলোচনার অগ্রগতির ইঙ্গিত, অন্যদিকে একই সঙ্গে সামরিক হুমকির স্ববিরোধী কৌশলের পুনরাবৃত্তি করছে পেন্টাগন।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরই ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ ও ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়েছে এবং প্রয়োজনে পুনরায় হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ, টোল আদায়, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক মার্কিন উপস্থিতিতে ইতি টানার মতো কঠোর শর্তে অবস্থান নিয়েছে। তবে গতকাল রাতে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, টোল আদায়ের শর্তে হরমুজ খুলে দেয়ার শর্তে যুক্তরাষ্ট্র একমত নয়। ফলে পরস্পরবিরোধী তথ্য ও অস্পষ্ট শর্তের বেড়াজালে মোড়ানো এ যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুরতা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে, যে কারণে উদ্বেগ অনিশ্চয়তাও কাটছে না।

এর আগে ঘোষিত যুদ্ধবিরতিকে বিশাল বিজয় হিসেবে দাবি করেছে দুই পক্ষই। যুদ্ধবিরতিকে নিজেদের ‘বিরাট বিজয়’ হিসেবে দাবি করেছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ওয়াশিংটন তেহরানের দেয়া ১০ দফা পরিকল্পনা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। অন্যদিকে যুদ্ধবিরতির বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় বিজয় হিসেবে দাবি করেছে হোয়াইট হাউজ। গতকাল হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক বিবৃতিতে বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বিজয়, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমাদের অবিশ্বাস্য সামরিক বাহিনী সম্ভব করেছে।

যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরান সরকার ও তার সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘নিয়ন্ত্রিত যাতায়াত’ করতে হবে। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হরমুজে জাহাজ চলাচল বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রেক্ষাপটে ইরান পুনরায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ফারস নিউজ’ গতকাল রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফায় আরো রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আর কোনো হামলা চালানো হবে না এমন প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। হরমুজ প্রণালিতে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে নিয়ন্ত্রিত জাহাজ চলাচল এবং ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির স্বীকৃতি দিতে হবে। এছাড়া সব মার্কিন ও জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আইএইএ ও নিরাপত্তা পরিষদে ইরানবিরোধী সব প্রস্তাব বাতিল, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন যুদ্ধকালীন সৈন্য প্রত্যাহার, যুদ্ধে ইরানের ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং বিদেশে জব্দ ইরানি সম্পদ মুক্তির দাবিও করেছে তেহরান। এসব বিষয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যবাধকতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে কার্যকর করার দাবিও জানিয়েছে ইরান।

ww
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান প্রকাশ্যে যে ১০ দফার কথা বলছে, প্রকৃত আলোচনা সেই তালিকায় সীমাবদ্ধ নয়। ট্রাম্প আরো দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে এবং ইরান হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ ও নিরাপদভাবে খুলে দিতে রাজি হয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ‘প্রায় সব বিতর্কিত বিষয়েই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একমত হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হবে।’ তিনি আরো জানান, ইরান একটি ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে, যাকে তিনি আলোচনার ‘কার্যকর ভিত্তি’ বলে মনে করেন। তবে পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প কঠোর হয়ে বলেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির কোনো ভবিষ্যৎ নেই এবং চুক্তি না হলে যুদ্ধে ফিরে যাওয়া ‘খুব সহজ’ হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানকে আর কখনই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেয়া হবে না এবং দেশটির ভূগর্ভে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ খুঁড়ে বের করার কাজে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অংশ নেবে।

যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও প্রতিরক্ষামূলক অভিযান স্থগিত রাখবে। তেহরান স্পষ্ট করেছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়েই হবে। অর্থাৎ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই থাকবে।

কিংস কলেজ লন্ডনের বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেয়াস ক্রেইগ বলেন, ‘ইরান মনে করছে এ যুদ্ধ তাদের আগের চেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ফলে ফেব্রুয়ারিতে যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের প্রশ্নে আলোচনা ভেঙে গিয়েছিল, সে দাবি থেকে ইরান সরে আসবে না বলেই মনে হচ্ছে।’ গার্ডিয়ানের সিনিয়র ইন্টারন্যাশনাল করেসপন্ডেন্ট জুলিয়ান বোর্জারের মতে, ‘যুদ্ধবিরতির পর্যায়ে ট্রাম্প তাৎক্ষণিক কিছু সাফল্য পেলেও দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক লড়াইয়ে তেহরান টিকে আছে স্বমহিমায়।’ তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড আক্রমণের মুখে তেহরান ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়লেও তা এখনো অক্ষত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সংঘাতের মূল কারণ যে উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম, তার বিশাল মজুদ এখনো ইরানের হাতেই রয়ে গেছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির ওপর আংশিক নিয়ন্ত্রণ দাবি করে ইরান বিশ্বকে জিম্মি করার সক্ষমতাও প্রদর্শন করেছে।’

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন, ইরান যদি শর্ত না মানে এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আবার সামরিক পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, ইরান স্বেচ্ছায় ইউরেনিয়াম দিয়ে দেবে, অন্যথায় গত গ্রীষ্মে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে যেভাবে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করা হয়েছিল, সে রকম পদক্ষেপের সুযোগ যুক্তরাষ্ট্র সংরক্ষণ করছে।

এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি মানলেও লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চলমান থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল লেবাননে ১০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ২৫৪ জন নিহত হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি যুদ্ধবিরতির সরাসরি লঙ্ঘন। তবে হোয়াইট হাউজের দাবি, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ দীর্ঘস্থায়ী হবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ আরো ঘনীভূত হয়েছে। বাজার ও ভূরাজনীতি বিষয়ক বিশ্লেষক ক্রেইগ এরলাম সতর্ক করে বলেছেন, ‘যুদ্ধবিরতির সবচেয়ে বড় হুমকি ইসরায়েল, কারণ তারা সবসময় এমন অস্পষ্ট শর্ত পছন্দ করে, যা দিয়ে প্রয়োজনমতো আবার যুদ্ধে ফেরা যায়।’

লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জবাবে উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরানও। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল ইরান থেকে সাতটি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং বেশকিছু ড্রোন ছোড়া হয়েছে। সবক’টি ড্রোন ও মিসাইল সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি ইরানি ড্রোন হামলার পর কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এবং জ্বালানি ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আক্রান্ত স্থানগুলোর কয়েকটিতে আগুন ধরে গেছে। হামলার শিকার এ স্থাপনাগুলোর মধ্যে তেল কেন্দ্র, তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পানি শোধন (ডেসালিনেশন) প্লান্ট রয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনে হামলা চালিয়েছে ইরান। গতকাল সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, পাইপলাইনের পাশাপাশি সৌদি আরবের আরো বেশকিছু স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, হামলার ফলে পাইপলাইনটি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে এবং বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটকে আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।

এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ইয়ানবুতে অবস্থিত মার্কিন কোম্পানিগুলোর তেল স্থাপনাও রয়েছে। ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, লেবাননে সংঘটিত অপরাধ এবং যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলকে শাস্তি দেবে তার দেশ। ফলে যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় আরো ঘনীভূত হয়েছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ওমানের সঙ্গে মিলে ইরান একটি যৌথ সামুদ্রিক প্রটোকল চূড়ান্ত করছে, যেখানে প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ট্যাংকার থেকে টোল আদায়ের বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। তবে সৌদি আরব ও কুয়েত জানিয়েছে, প্রণালিতে চলাচল কোনো বিধিনিষেধ ছাড়াই হতে হবে। এমনকি গতকাল রাতে হোয়াইট হাউজও জানিয়েছে, টোল আদায়ের শর্তের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র একমত নয়। হরমুজ প্রণালি অবশ্যই পুরোপুরি মুক্ত হতে হবে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ যুদ্ধবিরতির মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শুক্রবার ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসবেন। শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘যুদ্ধ সাময়িকভাবে থামানো গেছে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শুরু।’ ট্রাম্প জানান, আলোচনায় চীনও সহায়তা করেছে; তুরস্ক ও মিসরও মধ্যস্থতায় ভূমিকা রেখেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কেবল ভঙ্গুর একটি যুদ্ধবিরতি, সংকটের সমাধান নয়। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের মিডল ইস্ট ও আফ্রিকা অঞ্চলের ডিরেক্টর প্রতিভা থাকার বলেন, ‘উভয় পক্ষের মধ্যে গভীর আস্থার ঘাটতি রয়েছে। ওয়াশিংটনের উদ্বেগ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে, আর তেহরানের সংশয় মার্কিন অভিপ্রায় নিয়ে। অতীতে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়ার ইতিহাসও রয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *