
পশ্চিম এশিয়ায় জ্বালানি তেল রফতানি কমেছে ৬০ শতাংশ
মার্চ ১৯, ২০২৬
লারিজানি হত্যার চরম মূল্য দিতে হবে ইসরায়েলকে: মোজতবা খামেনি
মার্চ ১৯, ২০২৬ট্রাম্প ক্যাপিটাল লেটারে (বড় হাতের অক্ষরে) লিখেছেন, ইসরায়েল আর কখনোই ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা করবে না, যদি না ইরান নির্বোধের মতো অন্য কোনো নিরীহ দেশের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত নেয়, যা এক্ষেত্রে ছিল কাতার।
ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে আর কোনো নতুন হামলা হোক, এমনটা চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, কাতারের এলএনজি স্থাপনায় আবার হামলা হলে ইরানের পুরো গ্যাসক্ষেত্র উড়িয়ে দেব। খবর বিবিসি।
বুধবার ইরানের অন্যতম বৃহৎ ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসক্ষেত্রে হামলা করে ইসরায়েল। এর জবাবে গতকাল কাতারের রাস লাফান-এ হামলা চালায় ইরান—যা একটি শিল্প এলাকা এবং যেখানে বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র অবস্থিত।
এ ঘটনার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটেছে, তার ক্ষোভ থেকে ইসরায়েল সহিংসভাবে এ আক্রমণ করেছে। তবে তাদের এ হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কিছুই জানত না। সেইসঙ্গে কাতার কোনোভাবেই এর সঙ্গে জড়িত ছিল না। এমনকি তাদের কোনো ধারণাও ছিল না যে এমন কিছু ঘটতে যাচ্ছে।
ইরান বিষয়টি জানত না বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কাতারের রাস লাফানে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা ছিল অযৌক্তিক এবং অন্যায্য।
এরপরের অংশে ট্রাম্প ক্যাপিটাল লেটারে (বড় হাতের অক্ষরে) লিখেছেন, ইসরায়েল আর কখনোই ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা করবে না, যদি না ইরান নির্বোধের মতো অন্য কোনো নিরীহ দেশের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত নেয়, যা এক্ষেত্রে ছিল কাতার।
একই সঙ্গে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, যদি ইরান আবারো কাতারে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পুরো সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্র এমনভাবে উড়িয়ে দেবে, যা ইরান আগে কখনো দেখেনি।
ইরানের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের কথা ভেবে এ ধরনের সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞের অনুমতি দিতে চান না উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, যদি কাতারের এলএনজি আবারো আক্রান্ত হয়, তবে আমি তা করতে দ্বিধা করব না।


