রাঙ্গামাটির হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ বন্ধ, বাজারেও সংকট
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
পাঁচ জেলায় সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাঙ্গামাটির হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ বন্ধ, বাজারেও সংকট
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
পাঁচ জেলায় সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

বিএনপি পেয়েছে ৪৯.৯৭% ভোট, জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। ভোটের হিসাবে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি, ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। দলটি ২৯০টি আসনে নিজেদের প্রার্থী দিয়েছিল এবং এককভাবে জয় পেয়েছে ২০৯টিতে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি পেয়েছে মোট ভোটের ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ২২৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এককভাবে ৬৮টি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত। তৃতীয় অবস্থানে কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন। তারা মোট ভোটের ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ পেয়েছেন। সারা দেশে ২৭৪টি আসনে বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রাপ্ত ভোট ৩২ শতাংশের নিচে থাকলেও জোটগতভাবে তারা পেয়েছে মোট ভোটের ৩৮ দশমিক ৫২ শতাংশ। আর জোটগতভাবে বিএনপির প্রাপ্ত ভোটের হার ৫১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন থেকে গতকাল প্রাপ্ত দলগুলোর ভোটের হারের তালিকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

ইসির হিসাবে এর পরের অবস্থানে রয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দানকারীদের নিয়ে গড়ে ওঠা দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা দলটি মোট প্রাপ্ত ভোটের ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ পেয়েছে। ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এনসিপির ছয় প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে থাকার কথা ছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের। আসন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় দলটি নির্বাচনের আগ মুহূর্তে জোট থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর চরমোনাই পীর সৈয়দ ফয়জুল করীমের নেতৃত্বাধীন ২৫৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একটি মাত্র আসনে জয়লাভ করে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মোট ভোটের ২ দশমিক ৭০ শতাংশ পেয়েছে।

জামায়াত জোটে থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা ৩৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। দুটি আসনে জয়লাভ করে সারা দেশে দলটি ভোট পেয়েছে মোট ভোটের ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। এ জোট থেকে ২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একটি আসনে জয় পাওয়া খেলাফত মজলিস পেয়েছে মোট ভোটের দশমিক ৭৬ শতাংশ।

এবারের সংসদ নির্বাচনে ছয়টি দল নিয়ে জোট গঠন করে বিএনপি। এ জোটের বাকি দলগুলো হলো গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। এর মধ্যে বিএনপি একাই ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। এর বাইরে গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি একটি করে আসনে জিতেছে। বাকি দুটি দল ১১টি আসনে নিজেদের প্রার্থী দিলেও কোনোটিতে জয় পায়নি।

অন্যদিকে গত তিন সংসদে বিরোধী দলের চেয়ারে থাকা জাতীয় পার্টি (জাপা) এবারের নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে ১৯৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। একসময় রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা দলটি এবারের নির্বাচনে কোনো আসনই পায়নি। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত জাপার প্রাপ্ত ভোট মোট ভোটের মাত্র দশমিক ৮৯ শতাংশ।

ইসির তথ্যমতে, এসব দলের বাইরে বাকি সব রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশেরও কম। এসব দলের মধ্যে রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য, এলডিপিসহ আরো বেশ কয়েকটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *