
নির্বাচন উপলক্ষে ‘আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয়’ সেল গঠন
জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি
জানুয়ারি ২৩, ২০২৬সিলেটের শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের আত্মসাৎ করা অর্থে অর্জিত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সিলেটের শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের আত্মসাৎ করা অর্থে অর্জিত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পটির সাবেক হিসাবরক্ষক খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবালের নামে থাকা ৩১ কোটি ১০ লাখ ২৬ হাজার ৮৪২ টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গতকাল সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা সম্পদের মধ্যে রয়েছে রাজধানীর মুগদা ও উত্তরার কাওলা এলাকায় ক্রয় করা ২৩ দশমিক ৫ কাঠা জমি, ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলায় ৩০৩ দশমিক ২ শতাংশ জমি; রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী, মিরপুর, বনশ্রী, বাসাবো ও উত্তরার কাওলা এলাকায় অবস্থিত ১৮টি ফ্ল্যাট, মুগদা, আফতাবনগর ও উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরে ৩৯২ দশমিক ৭৩২৩ অযুতাংশ জমির ১১টি শেয়ার। এগুলোর পাশাপাশি আত্মসাৎ করা অর্থে অর্জিত ২১টি মিনিবাস, দুটি হায়েস গাড়ি এবং বিভিন্ন ব্যাংকে রক্ষিত ৩০ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫২ টাকাও রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের হিসাবরক্ষক ও হিসাব বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে আসে। আত্মসাৎ করা অর্থ ব্যবহার করে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমি, ফ্ল্যাট, যানবাহন ও অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেন।
সিআইডি জানায়, শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সংস্থার ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন। ২০২৩ সালের ২৬ এপ্রিল দায়ের করা মামলায় খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল ও তার স্ত্রী হালিমা আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্তে আত্মসাৎ করা অর্থের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় আদালত এসব সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেন।


