জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভায় গভর্নর দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক রেখে বাকিগুলো একীভূতকরণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে
জানুয়ারি ২২, ২০২৬
তথ্য নিরাপত্তায় আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)।
জানুয়ারি ২২, ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভায় গভর্নর দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক রেখে বাকিগুলো একীভূতকরণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে
জানুয়ারি ২২, ২০২৬
তথ্য নিরাপত্তায় আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)।
জানুয়ারি ২২, ২০২৬

তালিকাভুক্ত কোম্পানির খাতভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস আন্তর্জাতিক মান অনুসারে নির্ধারণ চায় ডিবিএ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর খাতভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর খাতভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। গতকাল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ আহ্বান জানান ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম।

চিঠিতে ডিবিএ সভাপতি বলেন, ‘‌বর্তমানে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ২২টি খাতে শ্রেণীবদ্ধ। এর মধ্যে সরকারি ও করপোরেট বন্ড এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শ্রেণীবিন্যাস অনেক বছর ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে, যা বর্তমান বৈশ্বিক পুঁজিবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’

তিনি বলেন, ‘‌বিশ্বের অধিকাংশ পুঁজিবাজার এখন গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রি ক্ল্যাসিফিকেশন স্ট্যান্ডার্ড (জিআইসিএস) অথবা ইন্ডাস্ট্রি ক্ল্যাসিফিকেশন বেঞ্চমার্ক (আইসিবি) অনুসরণ করছে। এসব মানদণ্ড খাতভিত্তিক বাজার বিশ্লেষণকে আরো স্বচ্ছ, তুলনাযোগ্য ও কার্যকর করে তোলে। তবে ডিএসইর বর্তমান শ্রেণীবিন্যাসে একাধিক অসংগতি বিদ্যমান।’

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘‌ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড বর্তমানে “‍ওষুধ ও রসায়ন’’ খাতে এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড “‍খাদ্য ও আনুষঙ্গিক’’ খাতে তালিকাভুক্ত। অথচ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী উভয় কোম্পানিই “‍কনজিউমার স্ট্যাপলস’’ বা নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য খাতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া যুক্তিযুক্ত।’

তিনি আরো বলেন, ‘‌একইভাবে ওয়ালটন, সিঙ্গার, বাটা ও এপেক্সের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে “‍কনজিউমার ডিসক্রিশনারি’’ বা ঐচ্ছিক ভোগ্যপণ্য খাতে তালিকাভুক্ত করা হলে তাদের প্রকৃত ব্যবসায়িক চরিত্র ও ভোক্তা চাহিদানির্ভরতা আরো স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হবে।’

ডিবিএর মতে, খাতভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ অর্থনৈতিক প্রবণতা, ভোক্তা আচরণ ও আয় বৃদ্ধির ধারা বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি পুরনো বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ শ্রেণীবিন্যাস কাঠামো এসব বিশ্লেষণের কার্যকারিতা ব্যাহত করে।

ডিবিএ মনে করে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত খাতভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস গ্রহণ করা হলে বাজারের স্বচ্ছতা বাড়বে, বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে তুলনাযোগ্যতা তৈরি হবে, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং দেশের পুঁজিবাজার একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক সূচক হিসেবে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে ডিএসইর খাতভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিএসইসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিবিএ। সংগঠনটি আশা করছে, এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের পুঁজিবাজারে দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাসযোগ্যতা, আস্থা, বিশ্লেষণগত গভীরতা ও বৈশ্বিক সংযুক্তি আরো সুদৃঢ় করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *