
মা-মেয়েসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা
জানুয়ারি ২০, ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় কৃষিপ্রযুক্তি প্রদর্শন মেলা উদ্বোধন
জানুয়ারি ২০, ২০২৬জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষ আচরণ মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে না।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষ আচরণ মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে না। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে এর দায় অন্তর্বর্তী সরকার ও অধ্যাপক ইউনূসের ওপর আসবে।
গতকাল বিকালে ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন এনসিপির নেতারা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় এ বৈঠকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, ওই কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন ও আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম অংশ নেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
বৈঠক শেষে যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির নেতারা। সেখানে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গত দু-তিনদিনের যেসব ঘটনা আগামী নির্বাচন এবং সমসাময়িক রাজনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, সেগুলো তুলে ধরেছেন তারা। ইসি ও প্রশাসনের নিরপেক্ষ আচরণ মাঠে দেখা না যাওয়ার বিষয়গুলো তারা প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছেন। ইসি যদি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে, সেটা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে এবং নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে—এ কথা উল্লেখ করে তারা বলেছেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে এর দায় অন্তর্বর্তী সরকার ও ড. ইউনূসের ওপর আসবে।
নাহিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপির চাপে ইসি দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের নির্বাচন করার সুযোগ করে দিয়েছে। বিএনপি ও দলটির ছাত্র সংগঠন (ছাত্রদল) নির্বাচন কমিশনের সামনে ‘‘মব’’ ও চাপ তৈরি করেছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে কমিশন রায় (প্রার্থীদের আপিল নিষ্পত্তি) দেয়ার আগেই রায়কে প্রভাবিত করেছেন।’
নাহিদ জানান, এনসিপি আবার নির্বাচন কমিশনের কাছে যাবে। দ্বৈত নাগরিকদের অনেকে তথ্য গোপন করেছেন। এখন এ তথ্যগুলো আসছে। এগুলো নিয়ে তারা আদালতে যাবেন। তারা চান না দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। তার কথায়, ‘নির্বাচন নিয়ে কোনো সংশয় নেই, যদি নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ থাকে। কিন্তু যদি ইঞ্জিনিয়ার্ড (সাজানো) একটা নির্বাচন করার পরিকল্পনা থাকে কারো, সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে এবং সেটা প্রতিহত করা হবে। ২০০৮ সালের মতো কোনো নির্বাচনের যদি পরিকল্পনা থাকে, এটা এবার সফল হবে না। এবার ১৯৯১-এর মতো নির্বাচন হবে।’


