
২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে বাংলাদেশ: আশিক চৌধুরী
ডিসেম্বর ৭, ২০২৫
মোবাইল ফোন সমাজের ব্যাধি হয়ে উঠছে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
ডিসেম্বর ৭, ২০২৫ইসি সানাউল্লাহ জানান, ভোটের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। অন্য সময় যেমনটা থাকে, ঠিক তেমনই। এ ছাড়া দুর্গম এলাকায় ব্যালট পেপার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের পরিবহনে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে ।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি নিতে নানা সভার আয়োজন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (৭ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত অনুষ্ঠিত সভায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেগুলো হলো, ভোটের দিন সাধারণ ছুটি, দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টার সহায়তা, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনে কঠোরতা এবং আচরণবিধি বাস্তবায়নের সময়সীমা। সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এসব সিদ্ধান্তের ব্যাপারে জানান।
ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপারসহ সব নির্বাচনী সামগ্রী কেন্দ্রে পাঠানো নিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, আমরা কনফিডেন্ট। আমরা রাতের ভোটের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না। তাই ব্যালট নিয়ে আমাদের যথাযথ সুপারভিশন থাকবে। আমরা ভোটের আগের রাতেই সবকিছু যথাযথভাবে করব।
তিনি বলেন, এ সপ্তাহের মধ্যেই আমরা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করব। সপ্তাহটা কবে থেকে ধরা হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৮ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, ভোটের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। অন্য সময় যেমনটা থাকে, ঠিক তেমনই। এ ছাড়া দুর্গম এলাকায় ব্যালট পেপার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের পরিবহনে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে ।
তিনি জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সাধারণত জেলা প্রশাসকরা দায়িত্ব পান, তবে কিছু বিকল্প প্রস্তাব বিবেচনায় আছে।
দেশের বাইরে থাকা ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধনের সময়সীমা ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কমিশনার বলেন, আগে এলাকাভিত্তিক ছিল, এটা আমরা পুরো বিশ্বে ওপেন করে দিয়েছি। সুতরাং যেকোনো দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশী ভোটাররা ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করতে পারবেন।
তফসিল ঘোষণার দিন থেকেই আচরণবিধি কার্যকর হবে জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব প্রচার সামগ্রী সরাতে হবে। না সরালে আচরণবিধির আওতায় যা যা করা দরকার, তাই করা হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়স সংশোধনের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ভুলজনিত সংশোধন মাঠপর্যায়ে হবে, বাকি সব কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।
তিনি আরো বলেন, গণভোটের ব্যালট পড়তে সময় বেশি লাগায় ভোটের গতি কমছে। এজন্য একাধিক গোপন কক্ষ স্থাপন ও যে সব কেন্দ্রে সক্ষমতা নেই সেখানে প্রয়োজনে অস্থায়ী বুথ তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
১৪ দলের শরিকদের ভোটে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করে সানাউল্লাহ্ বলেন, আইন যাদের অনুমতি দেয়, তারাই ভোটে অংশ নিতে পারবেন। রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করছি।


