সন্ত্রাসী ইয়াছিনের সহযোগী থানায় মামলা করলো দুই জুলাই যোদ্ধার নামে, ভুলে ভরা এজাহার
ডিসেম্বর ৫, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জে মির্জা ফখরুলের কুশপুত্তলিকায় আগুন
ডিসেম্বর ৫, ২০২৫
সন্ত্রাসী ইয়াছিনের সহযোগী থানায় মামলা করলো দুই জুলাই যোদ্ধার নামে, ভুলে ভরা এজাহার
ডিসেম্বর ৫, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জে মির্জা ফখরুলের কুশপুত্তলিকায় আগুন
ডিসেম্বর ৫, ২০২৫

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে চেতনানাশক খাইয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার তিনজন রিমান্ডে

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার তাঁর সহপাঠীসহ তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।

চেতনানাশক খাইয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে ওই ছাত্রীর করা মামলায় তাঁর সহপাঠীসহ চার শিক্ষার্থীকে গতকাল বুধবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রী ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।

আজ আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক সফিকুল ইসলাম। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তাজুল ইসলাম (২৩) ও শ্রাবণ সাহার (২৩) তিন দিন এবং অন্তু দেওয়ানের (২৮) দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপর আসামি দেলোয়ার ভূঁইয়াকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৭ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে পিকনিকের কথা বলে বাদীকে তাঁর সহপাঠী দেলোয়ার, তাজুল ইসলাম ও শ্রাবণ সাহা আশুলিয়ার ফুলের টেক এলাকায় নিয়ে যান। যাওয়ার পথে তাঁকে (বাদী) কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক খাওয়ানো হয়। এতে তিনি জ্ঞান হারান। বিকেলে জ্ঞান ফেরার পর তিনি নিজেকে ফুলের টেক এলাকায় দেলোয়ার, তাজুল ইসলাম ও শ্রাবণ সাহার মেসে দেখতে পান এবং ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে বুঝতে পারেন। জানতে পারেন, ওই তিনজন মুঠোফোনে ধর্ষণের সময়ের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে বা আইনগত পদক্ষেপ নিলে মুঠোফোনে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, ৬ নভেম্বর সকাল সাড়ে আটটার দিকে ওই শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে যাওয়ার সময় আশুলিয়ার বাইশমাইল এলাকায় তাঁকে আটকান দেলোয়ার, তাজুল ও শ্রাবণ। তাঁরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁদের সিনিয়র অন্তু দেওয়ান তাঁর (বাদী) সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চান। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তিন সহপাঠী বাদীকে মারধরসহ জোর করে অন্তু দেওয়ানের কাছে নিয়ে যেতে চান। একপর্যায়ে জোর করে বাদীকে নেশাজাতীয় পানীয় খাওয়ানো হয়। তবে তিনি কোনো রকমে ছুটে এসে ক্যাম্পাসে পৌঁছে জ্ঞান হারান। পরে অন্য সহপাঠী ও শিক্ষকেরা তাঁকে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *