
পর্যটন যেভাবে দেশের ব্র্যান্ডিং ও কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখতে পারে
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দুই দিনের ব্যবধানে ফের কমল স্বর্ণের দাম
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমকে টার্গেট করে এই আইন করা হচ্ছে না এবং কোনো সাংবাদিক যেন অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা শিকার না হন, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে
সাইবার সিকিউরিটি আইনের সংশোধনী কোনো অবস্থাতেই যাতে নিপীড়নমূলক আইনে পরিণত না হয় এবং এর কোনো অপপ্রয়োগ না ঘটে সে লক্ষ্যে সর্বস্তরের অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমকে টার্গেট করে এই আইন করা হচ্ছে না এবং কোনো সাংবাদিক যেন অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা শিকার না হন, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।
সচিবালয়ে সাইবার সিকিউরিটি আইনের সংশোধন নিয়ে আজ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইতোপূর্বে মন্ত্রিসভায় সংশোধনী খসড়া আলোচনার পর সমাজের সর্বস্তরের মতামত গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। এর অংশ হিসেবে ওয়েবসাইটে খসড়া প্রকাশ করে নাগরিক, বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা, শিক্ষার্থী ও আইটি বিশেষজ্ঞদের মতামত সংকলন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাশাপাশি প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সম্পাদক এবং প্রতিনিধি পরিষদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সুরক্ষায় সভায় গৃহীত মূল সিদ্ধান্ত ও রূপরেখাসমূহ তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবাদপত্রের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া বা গ্রেফতারের আগে আদালতের পূর্বানুমতি নেয়ার প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য মনে করে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এছাড়া মিডিয়া ও সাইবার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে মতামত পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠিত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়, আইটি মন্ত্রণালয়, সম্পাদক পরিষদ ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যার সমন্বয়ক (ফোকাল পয়েন্ট) হিসেবে পিআইও দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, আগামী ৭-১৫ দিনের মধ্যে তারা সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রদান করবেন। আইনি নিষ্পত্তিতে কেউ যেন অনির্দিষ্টকাল ঝুলে না থাকে, সে লক্ষ্যে আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় ও ১৫ দিন পর প্রস্তাবিত সুপারিশসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে খসড়াটি ক্যাবিনেটে পাঠানোর আগে পুনরায় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। পরবর্তীতে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পেলে এটি সংসদে পেশ করা হবে। সংসদে বিরোধী দল ও সরকারি দলের বিস্তারিত আলোচনা এবং সংসদের বাইরে সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের মতামতের ভিত্তিতে আইনটি পরিমার্জন করা হবে; কোনো তাড়াহুড়ো করে পাশ করা হবে না।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, সাইবার স্পেস ব্যবহার করে অপরাধ ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো, যুবসমাজকে রক্ষা এবং পারিবারিক ও সামাজিক সৌহার্দ্য টিকিয়ে রাখাই এই আইনের প্রধান উদ্দেশ্য। দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখেই চূড়ান্ত আইন প্রণয়ন করা হবে।


