ডিএসই ও ডিবিএর বৈঠক পুঁজিবাজারে নতুন আইপিওর সরবরাহ বাড়াতে অগ্রাধিকার প্রদানের সিদ্ধান্ত
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
শেখ হাসিনার ফেরা, মৃত্যু কিংবা কবর কিছুই দেশে হবে না: সারজিস আলম
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
ডিএসই ও ডিবিএর বৈঠক পুঁজিবাজারে নতুন আইপিওর সরবরাহ বাড়াতে অগ্রাধিকার প্রদানের সিদ্ধান্ত
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
শেখ হাসিনার ফেরা, মৃত্যু কিংবা কবর কিছুই দেশে হবে না: সারজিস আলম
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

জানুয়ারি-আগস্ট চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি ১৭.৬ শতাংশ

জানুয়ারি-জুলাই সময়ে চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধির হার বেড়েছে দশমিক ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময় দেশটির পণ্য আমদানি ও রফতানি মিলিয়ে মোট বৈদেশিক বাণিজ্য আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। একই সময় রফতানির চেয়ে আমদানি বেড়েছে বেশি। খবর আনাদোলু।
চীনের শুল্ক প্রশাসনের তথ্যের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশটির মোট পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৮ ট্রিলিয়ন ইউয়ান। মার্কিন ডলারে এর পরিমাণ প্রায় ৫ দশমিক ১৩ ট্রিলিয়ন ডলার।
প্রথম সাত মাসের তুলনায়ও বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। জানুয়ারি-জুলাই সময়ে চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধির হার বেড়েছে দশমিক ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট।
তথ্যানুযায়ী, প্রথম আট মাসে চীনের রফতানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এ সময় মোট রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ১৭ ট্রিলিয়ন ইউয়ান। অন্যদিকে ২২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৬১ ট্রিলিয়ন ইউয়ান।
শুধু আগস্টের হিসাবেও চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এ মাসে আমদানি ও রফতানি মিলিয়ে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ৬৫ ট্রিলিয়ন ইউয়ান। গত বছরের আগস্টের তুলনায় যা ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
চীনের আমদানি ও রফতানি দুই খাতেই টানা চার মাস দুই অংকের প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এতে বৈশ্বিক বাণিজ্যে চীনের কার্যক্রম শক্তিশালী থাকার পাশাপাশি দেশটির অভ্যন্তরীণ চাহিদাও বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
বিশেষ করে আমদানির প্রবৃদ্ধি টানা ষষ্ঠ মাসে রফতানিকে ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ চীন শুধু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রফতানি করেই যাচ্ছে না, একই সঙ্গে বিদেশী পণ্যের জন্য দেশটির বাজারে চাহিদাও বাড়ছে।
চীনের অর্থনীতির বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে রফতানিনির্ভর। কিন্তু আমদানির প্রবৃদ্ধি রফতানির চেয়ে বেশি হওয়া দেশটির অভ্যন্তরীণ ভোগপণ্য ও শিল্প খাতে কাঁচামালের চাহিদা শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *