
সংসদে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা ও আওতা বেড়েছে
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
সিলেটে হাম রোগীর ৮৭ শতাংশই গ্রামের শিশু, আক্রান্ত হচ্ছেন গর্ভবতী নারীরাও
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ৭৩৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া বরিশালে ১৪২ জন, খুলনায় ২৪২, চট্টগ্রামে ১৭৭, ময়মনসিংহে ৭৭, রাজশাহীতে ১১৬, রংপুরে ৭১ ও সিলেটে আটজন রোগী ভর্তি হয়েছে।
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৫৭১ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩০-এ। আর এ বছর হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৪৭৫-এ।
গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ৭৩৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া বরিশালে ১৪২ জন, খুলনায় ২৪২, চট্টগ্রামে ১৭৭, ময়মনসিংহে ৭৭, রাজশাহীতে ১১৬, রংপুরে ৭১ ও সিলেটে আটজন রোগী ভর্তি হয়েছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃতদের মধ্যে বরিশালে একজন ও খুলনায় দুজন রয়েছেন। অন্যান্য মৃত্যুর ঘটনা ঢাকাসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘটেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪৫ হাজার ৪৭৫ জনের মধ্যে ৪২ হাজার ১২৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩ হাজার ২১৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন।
আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা বেশি। মোট রোগীর ৬১ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ নারী। তবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন। এ বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ নারী এবং ৪০ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ।
বয়সভিত্তিক হিসাবে তরুণদের মধ্যে আক্রান্তের হারও বেশি। ২১-২৫ বছর বয়সী ৪ হাজার ১২২ জন এবং ২৬-৩০ বছর বয়সী ৪ হাজার ৬৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ ২১-৩০ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ১৮৭।
আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ঢাকায়। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন সিটি করপোরেশন এলাকাতেও এর প্রভাব রয়েছে। তবে চলতি বছরের শুরু থেকে গতকাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। বৃষ্টির পর বিভিন্ন পাত্র, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও ফুলের টবে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে। তাই সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।


