
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না
আগস্ট ৩১, ২০২৬
বন্ডের ইল্ড বৃদ্ধির প্রভাব জি৭ ভুক্ত দেশের ঋণ বাবদ বাড়তি ব্যয় ১৬০০ কোটি ডলার
আগস্ট ৩১, ২০২৬দেশে হামের উপসর্গে আরো চার শিশু প্রাণ হারিয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৮৬৮ শিশু।
আর নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৯ জনের। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬৭-এ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। শনিবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গতকালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সারা দেশে আরো ১ হাজার ১৫১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯। নতুন করে নিশ্চিত হামে ৩৬৫ রোগী শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৯ হাজার ২১৮ রোগীর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
দেশে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪৭ রোগী। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৯২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বলছে, সর্বশেষ হামের উপসর্গে যে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে দুজন বরিশাল বিভাগের। আর বাকি দুজনের একজন ঢাকার ও একজন সিলেট বিভাগের।
ডব্লিউএইচওতে নিয়মিত যে প্রাথমিক উপাত্ত জমা হয়, সেখানে জুলাইয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে এবার আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা বেশি। এক বছরের কম বয়সী যে পাঁচ হাজারের মতো শিশু গত এক বছরে হামে আক্রান্ত হয়েছে, তার চার হাজারের বেশি হামের টিকার দুই ডোজের একটিও পায়নি। এক থেকে চার বছর বয়সী চার হাজার রোগীর মধ্যে দেড় হাজার শিশু টিকার কোনো ডোজ পায়নি, এক ডোজ পেয়েছে ৫০০ জনের মতো। ৫ থেকে ৯ বছর বয়সী ১ হাজার শিশুর অর্ধেকই টিকার কোনো ডোজ পায়নি।


