স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে গ্যাস সরবরাহ
আগস্ট ৮, ২০২৬
দাউদকান্দিতে ৪৬ কৃষি ব্লকে মাত্র ১৮ কর্মকর্তা
আগস্ট ৮, ২০২৬
স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে গ্যাস সরবরাহ
আগস্ট ৮, ২০২৬
দাউদকান্দিতে ৪৬ কৃষি ব্লকে মাত্র ১৮ কর্মকর্তা
আগস্ট ৮, ২০২৬

তিন বছরে রাশিয়ায় কর্মী গেছে ৮ হাজার, অর্ধেকই পাঠিয়েছে পাঁচ এজেন্সি

মস্কোর একটি হাসপাতালের বেডে ব্যথায় কাতরাচ্ছেন এক তরুণ। শরীরজুড়ে ক্ষত, পায়ের আঙুল ভাঙা। পেটে তিন দফা অস্ত্রোপচার হয়েছে, সামনে কোমরে আরেকটি।

অথচ তিন মাস আগেও তার চোখে ছিল নতুন জীবনের স্বপ্ন। কনস্ট্রাকশন ভিসায় রাশিয়ায় গিয়ে ভালো আয় করবেন, পরিবারকে সচ্ছল করবেন—এমন আশাতেই দেশ ছেড়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের আদনান। কিন্তু সে স্বপ্নই তাকে নিয়ে যায় যুদ্ধের ভয়াবহ ফ্রন্টলাইনে।

জানা যায়, কনস্ট্রাকশন ভিসায় গত ৭ মে রাশিয়ার একটি কোম্পানিতে কাজের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ছাড়েন আদনান। বৈধ কাজের ভিসা ছিল তার। ছিল বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্রও। অর্থাৎ কাগজপত্রের দিক থেকে রাশিয়ায় কর্মসংস্থানের জন্য তার যাত্রাটি ছিল বৈধ পথেই। কিন্তু রাশিয়ার মাটিতে পা রাখার পরই বদলে যেতে থাকে সবকিছু। মস্কো থেকে প্রায় ১২০০ কিলোমিটার দূরের একটি স্থানে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। বলা হয়েছিল, সেখানে কোম্পানিতে যোগ দেয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। ‘পেপারওয়ার্ক’ শেষ করার কথা বলে তার সামনে কিছু কাগজ দেয়া হয়, যা ছিল রাশিয়ান ভাষায় লেখা।

রাশিয়ান জানতেন না আদনান। ফলে কী লেখা আছে, কী শর্তে তিনি স্বাক্ষর করছেন—কিছুই বুঝতে পারেননি। তার কাছে ছিল না রাশিয়ার সিম কার্ড, ছিল না ইন্টারনেট সংযোগ। ফলে মোবাইল ফোনের সাহায্যে কাগজের বিষয়বস্তু অনুবাদ করে বোঝার সুযোগও পাননি। শেষ পর্যন্ত না বুঝেই কাগজগুলোয় স্বাক্ষর করেন আদনান। এর মাত্র সাতদিনের মাথায় তাকে পাঠানো হয় একটি সেনা ক্যাম্পে।

কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ করতে যাওয়া একজন বাংলাদেশী তরুণের পরিচয় বদলে গেল সামরিক প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে। সেনা ক্যাম্পে নেয়ার পর তাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যে হাতে নির্মাণকাজের সরঞ্জাম থাকার কথা ছিল, সে হাতেই তুলে দেয়া হয় অস্ত্র। পাঠিয়ে দেয়া হয় সরাসরি যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনে। এরপরই ভয়াবহ বাস্তবতার মুখোমুখি হন আদনান। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই চলছে তার চিকিৎসা।

আদনানের পরিস্থিতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। রাশিয়ায় কাজের আশায় যাওয়া আরো অনেক বাংলাদেশী কর্মী একই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি দেশটিতে যাওয়া আদনানের মতো ৩০ কর্মীর সবাই প্রতারণার শিকার হয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের অনেকেরই উদ্দেশ্য ছিল নির্মাণসহ বিভিন্ন বেসামরিক খাতে কাজ করা। বৈধ ভিসা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়েই তারা দেশ ছেড়েছিলেন। বিএমইটির হিসাব অনুযায়ী, গত তিন বছরে রাশিয়ায় কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছেন আট হাজারের বেশি বাংলাদেশী কর্মী। ২০২৪ থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ২৪৭ জন কর্মী রাশিয়ায় গেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধক্ষেত্রেও যুক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। কেউ এজেন্সির প্রতারণার শিকার আবার কারো স্বেচ্ছায়ও যুদ্ধে জড়ানোর তথ্য পাওয়া গেছে।

বিএমইটির তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে রাশিয়ায় কর্মী গমনের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম, মাত্র ১ হাজার ৩৯৫ জন। পরের বছর ২০২৫ সালে এ সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭২৭ জনে, যা তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর চলতি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত রাশিয়ায় গেছেন ২ হাজার ১২৫ জন কর্মী। আর শুধু গত মাসে বিএমইটি ছাড়পত্র নিয়েছেন ১৪০ জন।

বিএমইটির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ তিন বছরে রাশিয়ায় যত কর্মী পাঠানো হয়েছে, তার প্রায় অর্ধেকই পাঠিয়েছে মাত্র পাঁচটি রিক্রুটিং এজেন্সি। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বন্যা বিজয় ওভারসিজ। ২০২৫ ও ২০২৪ সালে যথাক্রমে ১ হাজার ৪৫৯ ও ৯৪৯ জন কর্মী পাঠিয়েছে তারা।

এছাড়া রানওয়ে ইন্টারন্যাশনাল তিন বছরে পাঠিয়েছে ৫৫৫ জন, নোয়াখালী ওভারসিজ লিমিটেড পাঠিয়েছে ৪২৫, টিএস ওভারসিস লিমিটেড পাঠিয়েছে ২৬৬ এবং ফ্লেয়ার এক্সপ্রেস লিমিটেড পাঠিয়েছে ২৫৩ জন কর্মী। আর সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লি. (বোয়েসেল) গত তিন বছরে রাশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছে মাত্র ৪২৬ জন। যেসব কর্মী বোয়েসেলের মাধ্যমে যান, তারা কর্মস্থলে নিরাপদ রয়েছেন। তবে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে যারা গেছেন, তাদের অনেকেই প্রতারণার শিকার হয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রাশিয়ায় যাওয়া এসব কর্মীর মধ্যে কয়েক হাজার পরবর্তী সময়ে যুদ্ধক্ষেত্রেও যোগ দিয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে, যা এ শ্রমবাজার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

উচ্চ বেতন ও নানাবিধ সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণামূলকভাবে রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর অভিযোগে আরএস ইন্টারন্যাশনাল, জাবাল-ই-নূর এবং টিএস ওভারসিস লিমিটেড নামে তিনটি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স এরই মধ্যে বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর জামানতও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রতারণার অভিযোগে গত বছর ৯ ডিসেম্বর বন্যা বিজয় ওভারসিজের লাইসেন্স সার্ভার লকড করে রাখা হয়। এ রিক্রুটিং এজেন্সি রাশিয়ায় সব থেকে বেশি কর্মী পাঠিয়েছে।

মস্কোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুদ্ধে আহত নারায়ণগঞ্জের তরুণ আদনান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘জাবাল-ই-নূর এজেন্সি আমাদের কনস্ট্রাকশনে কাজ দেয়ার কথা বলে রাশিয়ায় পৌঁছার সাতদিনের মধ্যে সেনা ক্যাম্পে পাঠিয়েছে। আমাদের যে ৩০ জন একসঙ্গে এসেছি তাদের সবাইকেই যুদ্ধে পাঠিয়েছে। আমাদের কিছুই জানায়নি এ বিষয়ে। মোবাইল ফোনও নিয়ে নিয়েছিল। ভাগ্যক্রমে একজন পরিবারকে সবার ঘটনা জানাতে পেরেছিল। যুদ্ধে অনেকে মারা গেছে, আহত হয়েছে।’

বণিক বার্তার সঙ্গে ২০২৫ সালের মে থেকে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের সেনা ক্যাম্প থেকে হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ হয় বাংলাদেশী তরুণ রাসেল সিকদারের (ছদ্মনাম)। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তিনিসহ রাশিয়া যান ছয় বাংলাদেশী তরুণ। বন্যা বিজয় ওভারসিজ এজেন্সির মাধ্যমে চীনা এক কোম্পানিতে কাজে গেলেও দুই মাস পরই কাজ হারান। সেখান থেকে ভাড়াটে সেনা হিসেবে দালালদের মাধ্যমে বিক্রি হন রাশিয়ান সেনাদের কাছে।

রাসেল সিকদার জানান, এক বছরের যুদ্ধ করার চুক্তি শেষে তিনি বর্তমানে একটি কোম্পানিতে যুক্ত হয়েছেন। পেয়েছেন রাশিয়ান পাসপোর্টও। তবে তার সঙ্গে থাকা চারজনই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন।

সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ হয় ইউক্রেনের ‘প্রিজনার্স অব ওয়ার’র (পিওডব্লিউ) এক প্রতিনিধির সঙ্গে। দুই বাংলাদেশী কর্মী ছবি পাঠিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, কামরুল ও শোভন নামে দুই বাংলাদেশী তরুণ তাদের ইউনিটের কাছে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। আটকের সময় তাদের কাছে কোনো পাসপোর্ট ছিল না। ফ্রন্টলাইনে পাঠানোর আগেই সেগুলো কেড়ে নেয়া হয়। বর্তমানে আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ করে তাদের ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে শুধু এ দুজনই নন, ইউক্রেনজুড়ে রুশ বাহিনীর পক্ষে আরো অনেক বাংলাদেশী লড়াই করছেন বলেও জানান তিনি।

যুদ্ধে জড়ানো বাংলাদেশীদের কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন মস্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘ভারতের মতো বাংলাদেশকেও যেন যুদ্ধে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধের তালিকায় যুক্ত করা হয়, সে বিষয়ে আমরা রাশিয়ান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দিয়েছি। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতও রাশিয়ার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। তবে কর্মীরা রাশিয়ান ভাষায় চুক্তিপত্রে সই করায় আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবুও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠাতে চেষ্টা চলছে।’

বিদেশী কর্মীরা কোম্পানির কাজে যাওয়ার পর রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে রাশিয়ান সরকারের অবস্থান জানতে বণিক বার্তা থেকে বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ দূতাবাসের কাছে জানতে চাওয়া হয়। লিখিত এক প্রশ্নোত্তরে রুশ দূতাবাস থেকে বলা হয়, ‘সামরিক অভিযান অঞ্চলে দায়িত্ব পালনের সব চুক্তি স্বেচ্ছা ভিত্তিতে রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়। আবেদনকারীদের সামরিক দায়িত্বের শর্তাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়। সম্প্রতি রাশিয়ার দূতাবাস লক্ষ্য করেছে, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতারণার শিকার হওয়া মানুষের অভিযোগ ক্রমবর্ধমান হারে প্রচারিত হচ্ছে। রাশিয়া মনে করে, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতারণার ঘটনাগুলো বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষেরই তদন্ত করা উচিত, কারণ এটি একটি আভ্যন্তরীণ সমস্যা।’

রাশিয়ান কোম্পানিগুলো যাতে বিদেশী নাগরিকদের নিয়োগে রাশিয়ার শ্রম ও অভিবাসন আইন মেনে চলে এবং বিদেশী কর্মীরা যেন কেবল তাদের ভিসা ও কর্মচুক্তির শর্ত অনুযায়ীই নিয়োজিত হন, তা নিশ্চিত করতে রুশ সরকার কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—এ প্রশ্নও করা হয়। রুশ দূতাবাস লিখিত জবাবে জানায়, ‘প্রতিটি কর্মভিসা একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির জন্য ইস্যু করা হয়। রাশিয়ায় যাওয়ার আগে বাংলাদেশীদের একটি নোটারি ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করতে হয়, যেখানে উল্লেখ থাকে যে তারা নিয়োগকর্তার অনুমতি ও মস্কোয় বাংলাদেশ দূতাবাসকে অবহিত না করে সেনাবাহিনীতে যোগদান বা কর্মস্থল পরিবর্তন করতে পারবেন না। কোনো প্রবাসী কর্মী অন্য কোনো রাশিয়ান কোম্পানিতে কাজ করতে চাইলে তাকে বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে নতুন নিয়োগপত্রসহ পুনরায় কর্মী ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।’

বিদেশে কর্মসংস্থানের আশায় দেশ ছাড়ার আগে একজন শ্রমিক কতটা সুরক্ষিত, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কতটা স্বচ্ছতা রয়েছে এবং গন্তব্য দেশে পৌঁছানোর পর তার অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রীয় নজরদারি কতটা কার্যকর—সে বড় প্রশ্নও সামনে আনে। জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘যেসব দেশে গিয়ে বাংলাদেশী কর্মীদের তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে কিংবা প্রতারণার শিকার হয়েছে সেসব দেশে কর্মী পাঠানোর আগে কর্মস্থল সরজমিনে যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত আছে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে কিছু অনিয়মের জন্য পুরো শ্রমবাজার বন্ধ করে দেয়া কোনো সমাধান নয়। যেখানে সত্যিকার অর্থেই কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে, সেখানে কর্মীরা যেন সঠিক প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন এবং কোনো ধরনের দুর্ভোগের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি।’

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *