
ঘোড়াঘাটে করতোয়ায় ভাঙন নদীতে বিলীনের মুখে ৭ কিলোমিটার এলাকা, হুমকিতে আশ্রয়ণ প্রকল্প
আগস্ট ৩, ২০২৬
সারদা পুলিশ একাডেমিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ কোনো দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়
আগস্ট ৩, ২০২৬
বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।’
গতকাল ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে দীর্ঘ সংগ্রাম ও লড়াই হয়েছে। এ সংগ্রাম ও লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা একটি ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। দেশে নতুন একটি সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাবনাটি হলো গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা সুদৃঢ় করা।’
গণতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র যদি চলে, তবে বাকি কাজগুলো এমনিতেই হয়ে যায়। আমরা যদি প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ তৈরি করতে পারি, তাহলে সাধারণ মানুষ অনেক উপকৃত হবে। প্রশাসনকে যদি দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারি, তবে রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সংসদের কমিটিগুলোকে যদি সক্রিয় ও কার্যকর করতে পারি, তবে গণতন্ত্র অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জানান, দেশে সমস্যা, মতবিরোধ ও রাজনৈতিক আন্দোলন থাকবেই। তবে এসবের মধ্যেও যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা যায়, তাহলেই গণতন্ত্র টিকে থাকবে।
ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. ইউসূফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শেখ ফরিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী প্রমুখ।
ভারতের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পাশের দেশ ভারতেরও অনেক সমস্যা রয়েছে। তার পরও তাদের গণতন্ত্র টিকে আছে। কারণ তাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে গেছে। বিচার বিভাগ স্বাধীন, প্রশাসন দক্ষ ও গণমাধ্যম শক্তিশালী।’
উপস্থিত আইনজীবী ও বিচারকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটা বিষয় সবসময় ধরে রাখার চেষ্টা করবেন, সেটি হচ্ছে আইনের শাসন ও ইনসাফ। এ দুটিকে যদি ধরে রাখতে পারি, তবে সমাজকে অনেকটাই এগিয়ে নিতে পারব। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বেশকিছু সময় ধরে আমরা এ জায়গাগুলো থেকেই বঞ্চিত হয়েছি।’
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, জেলায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়েছে। শহরের চারদিকে রিং রোড নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি একটি কালচারাল কমপ্লেক্স নির্মাণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে রামদাঁড়া খাল খনন করে সেগুনবাগান এলাকাকে উন্নয়ন করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশে দারিদ্র্য বড় প্রকট, বিশেষ করে ঠাকুরগাঁওয়ে। এখানে কোনো কলকারখানা নেই। আমরা এখানে শিল্পায়ন গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।’


