লাল পতাকা ও প্রতিশোধের স্লোগানে আলী খামেনিকে বিদায় জানাচ্ছে ইরান
জুলাই ৫, ২০২৬
বিদায়েও বিস্ময় কেপ ভার্দে গোলিয়াথের রক্ষা, ডেভিডের গৌরব
জুলাই ৫, ২০২৬
লাল পতাকা ও প্রতিশোধের স্লোগানে আলী খামেনিকে বিদায় জানাচ্ছে ইরান
জুলাই ৫, ২০২৬
বিদায়েও বিস্ময় কেপ ভার্দে গোলিয়াথের রক্ষা, ডেভিডের গৌরব
জুলাই ৫, ২০২৬

এমবাপ্পের পেনাল্টিতে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেও শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে আটকে রাখতে পারল না প্যারাগুয়ে। টানা আক্রমণ, বলের দখল আর একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও দীর্ঘ সময় গোলের দেখা পাচ্ছিল না দিদিয়ের দেশঁর দল।

শেষ পর্যন্ত ভিএআরের সহায়তায় পাওয়া পেনাল্টি থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স।

ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর এই ম্যাচে শুরু থেকেই একচেটিয়া আধিপত্য দেখায় ফরাসিরা। প্রথমার্ধে প্রায় ৭৮ শতাংশ বলের দখল ছিল তাদের। ম্যাচের শুরুতে কিছু সময় তো প্যারাগুয়ে নিজেদের অর্ধ থেকেই বের হতে পারছিল না। তবে রক্ষণে অসাধারণ শৃঙ্খলা আর গোলরক্ষক অরলান্ডো গিলের দৃঢ়তায় বারবার হতাশ হতে হয় এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে ও সতীর্থদের।

প্রথমার্ধে একের পর এক কর্নার পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি ফ্রান্স। এমবাপ্পে একটি হেডে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি, দেম্বেলের বাঁকানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দূরপাল্লার শটে চেষ্টা করেন মানু কোনো ও আদ্রিয়েন রাবিও, কিন্তু গোলের দেখা মেলেনি। অন্যদিকে প্যারাগুয়ে পুরো সময়টা নিচু রক্ষণভাগে থেকে পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষায় ছিল।

বিরতির পরও একই চিত্র। ফ্রান্স আক্রমণ চালিয়ে গেলেও প্যারাগুয়ের রক্ষণ সহজে ভাঙা যাচ্ছিল না। ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে আসে মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত। বদলি খেলোয়াড় দেজিরে দুয়ে বক্সের ভেতরে ঢুকলে দিয়েগো গোমেজের চ্যালেঞ্জে তিনি পড়ে যান। প্রথমে খেলা চালিয়ে যেতে বললেও ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন।

৭০তম মিনিটে স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন এমবাপ্পে। ঠান্ডা মাথায় ডান দিকের নিচু কোণে বল পাঠিয়ে গোলরক্ষক গিলকে পরাস্ত করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার সপ্তম গোল। এতে গোলদাতাদের তালিকায় তিনি আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এলেন।

গোল হজমের পর আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে প্যারাগুয়ে। ইনজুরির কারণে হুলিও এনসিসো ও ওমার আলদেরেতে মাঠ ছাড়লে তাদের আক্রমণের ধারও কমে যায়। শেষ দিকে মাউরিসিওর শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ঁ। যোগ করা সময়ে কর্নার থেকেও সমতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি করেছিল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি, কিন্তু মেনিয়ঁ আকাশে ভেসে উঠে বল মুঠোয় নিলে স্বস্তি ফিরে পায় ফ্রান্স।

অন্যদিকে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েও পারেননি এমবাপ্পে। টানা দুটি শটই দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গিল। তার অসাধারণ গোলকিপিংয়ের কারণেই শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ১-০-ই থাকে।

এই জয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল ফ্রান্স। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে মরক্কো, যারা অপর ম্যাচে কানাডাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করেছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *