পানি কমলেও বেড়েছে ভাঙন বিলীন হচ্ছে বসতভিটা ও আবাদি জমি
জুলাই ১, ২০২৬
সাভারে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশত শ্রমিক অসুস্থ
জুলাই ১, ২০২৬
পানি কমলেও বেড়েছে ভাঙন বিলীন হচ্ছে বসতভিটা ও আবাদি জমি
জুলাই ১, ২০২৬
সাভারে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশত শ্রমিক অসুস্থ
জুলাই ১, ২০২৬

অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নতুন অর্থবছরে ইবতেদায়ি মাদরাসা এমপিওভুক্ত হবে

 

নতুন অর্থবছরে ইবতেদায়ি মাদরাসা এমপিওভুক্ত করতে যাচ্ছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থ বরাদ্দ রয়েছে।

গতকাল রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও অন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় এ কথা জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এটাকে আমাদের একটু গুছিয়ে নিতে হবে। আমরা জাস্টিফাই করব কাকে দেয়া যায় এবং সেভাবে আমাদের আগামী বাজেটে অ্যালোকেশন করা আছে টাকা, সেখান থেকে আমরা (এমপিও) দেব। বাট ইট হ্যাজ টু বি ইন আ সিস্টেম।’

ইসলামী ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে যে শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, সে আলিয়া মাদরাসা পদ্ধতিতে পঠন-পাঠন হয় ইবতেদায়ি মাদরাসায়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমমান এ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গোড়াপত্তন হয় ১৯৮৪ সালে। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে অনুদানভুক্ত ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী শিক্ষকরা ৩ হাজার টাকা করে অনুদান পেয়ে থাকেন। এর বাইরে দেশে আরো ৫ হাজার ৯৩২টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে, যেগুলো সরকারি কোনো অনুদান পায় না।

শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে ২০২৫ সালের শুরুতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোকে প্রথমে এমপিওভুক্ত করে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। ওই বছরের ২৫ জুন ইবতেদায়ি মাদরাসা এমপিওভুক্তির নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ। ওই নীতিমালা অনুযায়ী অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা এমপিওভুক্ত করতে গত বছরের ৮-১৫ জুলাই পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।

আগের সরকারগুলো শিক্ষা খাতে এলোমেলোভাবে কাজ করেছে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো যদি বলতে যাই, সারা দিন বলতে পারব। বাট বলে তো লাভ নাই। রেসপন্সিবিলিটি কার? আমাদের, নাকি? আমাদেরকে এটা অ্যাড্রেস করতেই হবে।’

মাদরাসা শিক্ষাকে উন্নত করতে কী কী করা যায়, সে বিষয়ে চিন্তা করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু জাফর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, ট্রেজারার শাহীনুল ইসলাম।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *