ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তি আলোচনায় বসতে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন স্টিভ উইটকফ ও আব্বাস আরাগচি
জুন ২০, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ সুবিধাজনক অবস্থানে ইরান, উদ্বিগ্ন প্রতিদ্বন্দ্বীরা
জুন ২০, ২০২৬
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তি আলোচনায় বসতে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন স্টিভ উইটকফ ও আব্বাস আরাগচি
জুন ২০, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ সুবিধাজনক অবস্থানে ইরান, উদ্বিগ্ন প্রতিদ্বন্দ্বীরা
জুন ২০, ২০২৬

লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ

লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ। লেবাননের স্থানীয় সময় গতকাল বিকাল ৪টার দিকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। খবর রয়টার্স।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, আজ (শুক্রবার) দিনের শুরুতে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে গোলাগুলি হলেও এখন তারা যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে।’ ইরান সরকারের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের নেয়া পদক্ষেপে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তবে ইরানপন্থী হিজবুল্লাহর অন্তত দুটি সূত্র জানিয়েছে, তারা নিজেদের পক্ষ থেকে এটি কার্যকর করেছে। আর ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতিতে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘হিজবুল্লাহ যদি আমাদের ওপর আক্রমণ না করে, তবে আমাদের জন্যও এটি যুদ্ধের সময় নয়।’

তবে ওই কর্মকর্তা জানান, দক্ষিণ লেবাননে নিজেদের সেনা মোতায়েন রাখবে ইসরায়েল। সেখানে তারা ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তসংলগ্ন একটি এলাকা দখল করে রেখেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে হিজবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ শহরের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীকে লক্ষ্য করে একাধিক রকেট হামলা চালায়। দিনের বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণের পর এ হামলা চালানো হয়। জবাবে ইসরায়েল নাবাতিয়েহ ও আশপাশের শহরগুলোয় ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। ইসরায়েলের দাবি, হামলাগুলো হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে করা হয়েছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এতে অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছেন।

হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা নাবাতিয়েহর পার্বত্য পাদদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করা ইসরায়েলি বাহিনীকে লক্ষ্য করেই হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকেই এলাকাটি সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। যুদ্ধবিরতির আগে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ওই শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *