
দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে নকআউট পর্বে প্রথম দল মেক্সিকো
জুন ১৯, ২০২৬
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তি আলোচনায় বসতে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন স্টিভ উইটকফ ও আব্বাস আরাগচি
জুন ২০, ২০২৬কাতারের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে ড্র করতে হয়েছিল সুইজারল্যান্ডকে। তাই শুরু থেকেই তারা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। মাঝমাঠে গ্রানিট জাকার নেতৃত্বে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি সুইসদের হাতে
একের পর এক আক্রমণ, বলের দখল আর অসংখ্য সুযোগ তৈরি করেও দীর্ঘ সময় গোলের দেখা পাচ্ছিল না সুইজারল্যান্ড। তবে কোচ মুরাত ইয়াকিনের তিনটি পরিবর্তনই বদলে দেয় ম্যাচের চিত্র। গতকাল রাতে গ্রুপে ‘বি’-এর ম্যাচে শেষ ২০ মিনিটে চার গোল করে বসনিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছে সুইসরা। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক হয়েছেন বদলি খেলোয়াড় জোহান মানজাম্বি।
কাতারের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে ড্র করতে হয়েছিল সুইজারল্যান্ডকে। তাই শুরু থেকেই তারা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। মাঝমাঠে গ্রানিট জাকার নেতৃত্বে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি সুইসদের হাতে।
বাঁ প্রান্ত দিয়ে ড্যান এনডোয়ে বারবার বসনিয়ার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করেন। তাকে থামাতে কখনো কখনো দুই-তিনজন খেলোয়াড়কে একসঙ্গে নামতে হয়। তবুও সুইজারল্যান্ড গোল পাচ্ছিল না। কারণ, বসনিয়ার সংগঠিত রক্ষণভাগ ছিল দুর্ভেদ্য। বল পেলে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উঠছিল তারা, আবার বল হারালে দ্রুত নিজেদের অর্ধে নেমে এসে প্রতিরোধ গড়ে তুলছিল।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র দেখা যায়। সুইসরা আক্রমণ চালিয়ে গেলেও গোলের পথ খুঁজে পাচ্ছিল না। ম্যাচের ৭০ মিনিটে ইয়াকিন একসঙ্গে জোহান মানজাম্বি, রুবেন ভারগাস ও জিব্রিল সোকে মাঠে নামান। আর তাতেই বদলে যায় ম্যাচের গতি।
মাঠে নামার মাত্র চার মিনিট পরই গোল করেন মানজাম্বি। সুইজারল্যান্ডের আক্রমণ থেকে পাওয়া বল জোরালো সাইড-ভলিতে জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
এর কিছুক্ষণ পরই বড় ধাক্কা খায় বসনিয়া। নিশ্চিত গোলের সুযোগের সামনে থাকা ব্রিল এমবোলোকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন তারিক মুহারেমোভিচ। ফ্রি-কিক থেকে গোল না হলেও ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া বসনিয়া এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
৮৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আরেক বদলি খেলোয়াড় রুবেন ভারগাস। ডান দিক থেকে এমবোলোর পাস পেয়ে প্রথম ছোঁয়াতেই বল জালে পাঠান তিনি। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে সুইজারল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মানজাম্বি।
সংযুক্তি সময়ের তৃতীয় মিনিটে এরমিন মাহমিচ একটি গোল শোধ করে বসনিয়ার আশা কিছুটা জাগান। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি পায় সুইজারল্যান্ড। সেখান থেকে গোল করে ৪-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক গ্রানিট জাকা।
এই জয়ে প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে টুর্নামেন্টে শক্ত অবস্থান গড়ে নিল সুইজারল্যান্ড। আর কোচ ইয়াকিনের কৌশলী পরিবর্তনই হয়ে থাকল ম্যাচের সবচেয়ে বড় পার্থক্য।


