
এলজিআরডি মন্ত্রী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে পর্যায়ক্রমে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন
জুন ১৭, ২০২৬
সরকারি মেডিকেল কলেজ বিদ্যমান কলেজের সংকট নিরসনের আগেই নতুন মেডিকেল কলেজ অনুমোদন
জুন ১৮, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার বারবার প্রমাণ করেছে গণমাধ্যমের সঙ্গে তাদের শত্রুতা নেই।
তাই বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। সরকারের ভুল হতে পারে, গঠনমূলক আলোচনা হোক।’
গতকাল বিকালে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় এ মতবিনিময় সভায় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, স্পিচ রাইটার এসএএম মাহফুজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু, সুজাউদ্দৌলা সুজন, শাহাদাত হোসেন স্বাধীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটা আমাদের জন্য, বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজকের এ দিনে বাংলাদেশের সব সংবাদপত্র একসময় বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল, হাতেগোনা মাত্র চারটি সংবাদপত্র ছিল। সেখান থেকে আজকে আমরা এতগুলো সাংবাদিক ভাইদের সঙ্গে কথা বলছি। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে ওই সময় সংবাদপত্রের যে গলা চেপে ধরা হয়েছিল সেটি অন্তত এখন নেই, এ মুহূর্তে নেই। যেভাবে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে কেড়ে নেয়া হয়েছিল। চারটা সংবাদপত্রকে রেখে সব বন্ধ করে দিয়েছিল। একই সময় আমরা দেখেছি বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলকে বন্ধ মানে বিলুপ্ত করে বাকশাল নামে একটা দল গঠন করা হয়েছিল।’
গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে অনেক সাহায্য করতে পারেন। শুধু সরকার একা পারবে না, আপনার সহযোগিতা আমার লাগবে। আপনার সহযোগিতা না পেলে আমি বুঝতে পারব না যে কাজটা ভালো হচ্ছে না খারাপ হচ্ছে। সবার সহযোগিতা পেলেই অন্তত বুঝতে পারব যে কাজটা ভালো হচ্ছে না, খারাপ হচ্ছে অথবা ভালো কাজের পথটা আপনাদের দেখাতে হবে। অর্থাৎ দেশের কাজে আমাদের প্রত্যেককে এগিয়ে আসতে হবে। এ সহযোগিতাটা আমি আপনাদের কাছে চেয়েছি। আপনারা সহযোগিতা করলে আমার কাজ সহজ হবে।’
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এরই মধ্যে কোথাও কোথাও প্রতিবেদন হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড যারা প্রাপ্য না তেমন লোকজন পাচ্ছে ব্যাপারটি কিন্তু তেমন না। গ্রাম পর্যায়ে সচ্ছল পরিবারগুলো হয়তো কোথাও কোথাও পাচ্ছে। যে তথ্যের ভিত্তিতে তারা কাজগুলো করছে সেগুলোতে কিছুটা গণ্ডগোল আছে। যার জন্য আমরা বারবারই বলছি পাইলট প্রজেক্ট। এক্ষেত্রে কোথায় কী ভুল হচ্ছে সেগুলো চেক করা হবে। এ বছরের জুলাই থেকে আগামী এক বছরের জন্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে পৌঁছে দেব, তখন যাতে ভুলটা কম হয়। সেজন্যই গত তিন মাস আমরা পাইলট প্রজেক্ট চালিয়েছি।’


