
অর্থনীতির পুনরুদ্ধার নাকি ‘সিসিফাস’?
জুন ১২, ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
জুন ১২, ২০২৬
দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্যের ধারণক্ষমতা ও সংগ্রহ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকি মূল্যে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বহুমুখী পদক্ষেপের ঘোষণাও দেয়া হয়েছে।
গতকাল জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপনের সময় খাদ্য খাতের এ বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বাজেট বক্তৃতায় তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্যের বর্তমান ধারণক্ষমতা ২০ লাখ ১৬ হাজার টন। এটি আরো বাড়িয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২৪ লাখ ৫০ হাজার টনে উন্নীতকরণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রাও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে খাদ্যশস্য সংগ্রহের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ লাখ ১৯ হাজার টন। সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে এ লক্ষ্যমাত্রা ৪১ লাখ ২৯ হাজার টনে উন্নীত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে।
নিম্ন আয়ের মানুষের পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’ জোরালোভাবে কার্যকর রাখার কথাও জানানো হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫ লাখ উপকারভোগী পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে ছয় মাস চাল দেয়া হবে। প্রতি কেজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১৫ টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ ছিল ৮ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ বাজেট বাড়িয়ে করা হয়েছে ৮ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা। যদিও চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।


