
আগামী বাজেট হবে যুব ও ব্যবসাবান্ধব
মে ৩০, ২০২৬
আর্থিক চাপে কোরবানি দেননি অনেকেই ক্রেতার চেয়ে গরু বেশি থাকায় লোকসান গুনতে হয়েছে ব্যাপারীদের
মে ৩০, ২০২৬কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পশুর বর্জ্য ও জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়
রাজধানীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে কোরবানির পশুবর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম নিজে পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঈদের দ্বিতীয় দিন গতকাল বিকাল ৪টার দিকে সরকারপ্রধান নিজেই গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন সড়কের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানান তার উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি গুলশান এভিনিউর বাসা থেকে বেরিয়ে গুলশান-১ নম্বর মোড় হয়ে হাতিরঝিল, রামপুরা রোড, মালিবাগের আবুল হোটেল দিয়ে তালতলা মার্কেট হয়ে বাসাবোর দিকে যায় বলে জানান উপপ্রেস সচিব। এরপর কমলাপুর স্টেডিয়াম, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, যাত্রাবাড়ী মোড়, ধোলাই খাল হয়ে শহীদ ফারুক সড়ক, দয়াগঞ্জ সড়ক দিয়ে নারিন্দা হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় দিয়ে আদালত সড়ক হয়ে যায় নয়াবাজার, বংশাল রোড।
পরবর্তী সময়ে গুলিস্তান, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে নিউমার্কেট হয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে ডান দিকে কলাবাগান, মিরপুর রোড, সিটি কলেজের সামনে দিয়ে সীমান্ত স্কোয়ার হয়ে জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড দিয়ে ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোড, ২৭ নম্বর সড়কে যান। সেখান থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে পান্থপথ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে মহাখালী সড়কের পরিস্থিতিও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, রাজধানীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া ভালোভাবে হচ্ছে কিনা তা দেখতে বের হন প্রধানমন্ত্রী। নিজেই গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এমনকি বিভিন্ন সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় সিগন্যাল মেনে গাড়িও থামিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ঢাকায় এ বছর প্রায় সাত লাখ পশু কোরবানি হয়েছে বলে সরকারের ধারণা। তাতে ৫৫ হাজার টনের বেশি বর্জ্য তৈরি হয়। বিপুল এ বর্জ্য দ্রুততম সময়ে সরাতে দুদিন ধরে কাজ করছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।
এদিকে রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিনরোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্যের পাশাপাশি আগের জমে থাকা ময়লা সড়কে পড়ে থাকার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। পরে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তারা হলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জোন-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জোন-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির। দুজনই উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা।


