দেশের ছয় অঞ্চলে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস
মে ২২, ২০২৬
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন
মে ২২, ২০২৬
দেশের ছয় অঞ্চলে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস
মে ২২, ২০২৬
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন
মে ২২, ২০২৬

ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত আমরা নিয়ে নেব, ধ্বংস করব: ট্রাম্প

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পুরো মজুত যেকোনো উপায়ে জব্দ ও ধ্বংস করার ব্যাপারে নিজের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, আমরা এটা নিয়ে নেব। আমাদের প্রয়োজন নেই, আমরা চাইও না। নিয়ে নেয়ার পর সম্ভবত এটা ধ্বংস করব, কিন্তু ইরানের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাখতে দেয়া হবে না। খবর আল জাজিরা।

ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, দেখুন, আমরা নিশ্চিত করতে চাচ্ছি, ওদের (ইরান) কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। না হলে আমাদের অত্যন্ত কঠোর ও চরম কোনো পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, যখন বিষয়টি আমাদের দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে, তখন আমেরিকার প্রতিটি নাগরিক একমত হবেন, আমরা কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দিতে পারি না।

এ সময় এক সাংবাদিক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চান, শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান কি তাদের এ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের দেশে রেখে দেয়ার কোনো সুযোগ পাবে? জবাবে ট্রাম্প বলেন, না, কোনো সুযোগ নেই। আমরা এটা নিয়ে নেব। আমাদের প্রয়োজন নেই, আমরা চাইও না। নিয়ে নেয়ার পর সম্ভবত এটা ধ্বংস করব, কিন্তু ইরানের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাখতে দেয়া হবে না।

এদিকে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশের বাইরে না পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তার এ নির্দেশনা ও পদক্ষেপের ফলে যুদ্ধ অবসানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ইসরায়েলকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে ভবিষ্যতের যেকোনো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে তেহরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশ থেকে সরিয়ে নেয়া হবে। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য এই ইউরেনিয়ামের মজুদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলও চায় এই শর্তটি যেন আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তবে রয়টার্স এক ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ‘সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা এবং দেশটির শাসনব্যবস্থার ভেতরের সাধারণ ঐক্যমত হলো যে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা মনে করছেন এই পারমাণবিক উপাদান বিদেশে পাঠিয়ে দিলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখে তেহরান আরো বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *