
৪ ঘণ্টার অর্জন ভেস্তে গেছে অব্যবস্থাপনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল ও সড়কপথে ভ্রমণ সময় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭-৮ ঘণ্টায়
মে ২০, ২০২৬
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে
মে ২০, ২০২৬বিস্ফোরক সংকটের কারণে গতকাল সকাল থেকে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনি থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে।
আমদানি করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (বিস্ফোরক) খনিতে এসে না পৌঁছা পর্যন্ত খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। খনির মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও সেবা) সৈয়দ রফিজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘বিস্ফোরক দ্রব্য (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ যথাসময়ে নেয়া হয়েছে। আমদানীকৃত বিস্ফোরক খনিতে এসে পৌঁছতে কমপক্ষে ১৫ দিন সময় লাগবে।’ খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও এ সময়ের মধ্যে খনির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে বলে জানান তিনি।
এদিকে খনি থেকে পাথর উত্তোলনের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়ামের (জিটিসি) একটি সূত্র জানায়, খনি থেকে পাথর উত্তোলনকাজে প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক দ্রব্য খনি কর্তৃপক্ষ যথাসময়ে আমদানি করতে ব্যর্থ হওয়ায় বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এর আগেও ২০১৪ সালে ২২ দিন, ২০১৫ সালে দুই মাস, ২০১৮ সালে সাতদিন এবং ২০২৫ সালেও কয়েক দিন বিস্ফোরক সংকটের কারণে খনি থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ ছিল বলে সূত্রটি জানায়।
মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২৫ মে বেলারুশের একটি প্রতিষ্ঠান খনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে পাথর উত্তোলন শুরু করে। বর্তমানে জার্মানির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট খনির ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলনের দায়িত্ব পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটিতে তিন শিফটে প্রায় ৭৫০ শ্রমিক কাজ করছেন। চুক্তি অনুযায়ী খনি থেকে প্রতিদিন সাড়ে ৫ হাজার টন পাথর উত্তোলন করা হয়।
চুক্তি অনুযায়ী পাথর উত্তোলনকাজে প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক সরবরাহের দায়িত্ব খনি কর্তৃপক্ষের। এ অবস্থায় বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় গতকাল পাথর উত্তোলনের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।


