
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ী সাক্ষাৎ
মে ৪, ২০২৬
ফ্লোরিডা থেকে দেশে পৌঁছেছে লিমনের মরদেহ
মে ৪, ২০২৬গতকালের তুলনায় আজকের পরিস্থিতিতে পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি কিছু স্থানে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর পয়েন্টে নলজুর নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে এখন বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা আগের তুলনায় পানির চাপ আরো বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টানা মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে হাওর বেসিনের নদ-নদীগুলোয় পানির স্তর আরো বেড়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আজ সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত নদী স্টেশনের সংখ্যা ৬টি থেকে বেড়ে ৮টিতে পৌঁছেছে।
গতকালের তুলনায় আজকের পরিস্থিতিতে পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি কিছু স্থানে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর পয়েন্টে নলজুর নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে এখন বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা আগের তুলনায় পানির চাপ আরো বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নেত্রকোনায় ধনু-বাউলাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলায় সোমেশ্বরী নদীর পানি কলমাকান্দা পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার কমলেও তা এখনো বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপর রয়েছে। ভুগাই-কংস নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার কমে ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর অবস্থান করছে। এছাড়া মগরা নদীর পানি নেত্রকোনায় ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে ৭৯ এবং আটপাড়ায় কোনো পরিবর্তন না হলেও ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
হবিগঞ্জ জেলায় পরিস্থিতিতে নতুন করে পানি বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। আজমিরিগঞ্জে কালনি নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলার সুতাং রেল ব্রিজ পয়েন্টে সুতাং নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বেড়ে ৮৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদীগুলোর পানি সমতল অত্যন্ত ধীরগতিতে বাড়ছে, ঘণ্টায় গড়ে শূন্য থেকে ১ সেন্টিমিটার হারে বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
হাওর বেসিনে আজও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জে ৭৪ এবং চাঁদপুর-বাগানে ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভারতের মেঘালয় ও আসাম অঞ্চলেও মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। চেরাপুঞ্জিতে ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা উজান থেকে পানি প্রবাহ বাড়িয়ে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর ওপর প্রভাব ফেলছে।


