
৩ জনের মৃত্যু, কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ আটলান্টিকে ক্রুজ জাহাজে ‘বিরল হান্টাভাইরাসের’ প্রাদুর্ভাব
মে ৪, ২০২৬
অপতথ্য ঠেকাতে দরকার সামাজিক আন্দোলন
মে ৪, ২০২৬সরকারের বয়স অত্যন্ত কম—জোর করে না হলে খুব বেশি সমালোচনা করারও কিছু নেই। আমাদের সবার লক্ষ্য—আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলতে চাই, এ মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরা সরকারকে এনগেজ করতে চাই।
যখন কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতার বাইরে থাকে, তখন তারা এক কথা বলে; আর ক্ষমতায় এলে আরেক কথা বলে—এ অভিজ্ঞতা আপনাদেরও আছে। যতদিন এ অভিজ্ঞতা মনে রাখবেন, আমরাও ততদিন আপনাদের সঙ্গে এনগেজ করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিবাচক বিকাশ এবং গোটা সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরে সহযোগী শক্তি হিসেবে আমরা কাজ করতে চাই।
আমরা এ সরকারের কাছ থেকে—অন্তত আপনার মতো তথ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে—একটি কথা আর শুনতে চাই না। সেটি হলো ‘দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা’ কথাটির রাজনৈতিক ব্যবহার। কারণ আমরা ৩৫ বছর ধরে দেখেছি, কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গেলে এ কথাটি বলে; আর ক্ষমতার বাইরে থাকলে ভিন্ন কথা বলে।
সাংবাদিকরা পেশা হিসেবে গণমাধ্যমে কাজ করেন—এটি শুধু জীবিকা নয়, একধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতা। এখানে নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীরা কাজ করেন—যারা চাইলে অন্য পেশায় গিয়ে ভালো করতে পারতেন। কিন্তু একধরনের প্যাশন, সমাজসেবামূলক মানসিকতা থেকেই তারা এ পেশায় আসেন। তাদের দায়িত্ব আছে, তাদের সম্পাদক আছেন, প্রকাশক আছেন—তাদের নিজস্ব কাঠামো রয়েছে। সেই কাঠামোর মধ্যেই তারা দায়িত্ব পালন করতে চান।
বাংলাদেশে যখনই স্বৈরতান্ত্রিক পরিস্থিতির অবসান ঘটে, তখনই মানুষ বিশ্বাস করে, এবার গণতান্ত্রিক রূপান্তর হবে, জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হবে। এ প্রত্যাশা থেকেই বিভিন্ন কমিশন গঠিত হয়। কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না। এখন যেহেতু নতুন সরকার এসেছে, তথ্যমন্ত্রী এখানে উপস্থিত—আমরা আবারো বলতে চাই, আমরা আপনাদের সঙ্গে এনগেজ করতে চাই।


