
জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর দাম বাড়তে পারে ৩০ শতাংশ
এপ্রিল ২২, ২০২৬
জ্বালানি সংকট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করবে বিটিআরসি
এপ্রিল ২২, ২০২৬যুক্তরাষ্ট্র একদিকে যুদ্ধবিরতি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এক ঘোষণায় মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত ১৪ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও কিছু উড়োজাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরান সরকারের পক্ষ হয়ে অস্ত্র বা অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ বা পরিবহনে ভূমিকা রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ ঘোষণার মানে হলো, নিষেধাজ্ঞাভুক্তদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা আমেরিকানদের দখলে থাকা সব সম্পদ জব্দ করা হবে এবং সেগুলোর তথ্য জানাতে হবে।
এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানে এসব সত্তার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ৫০শতাংশ বা তার বেশি মালিকানা রয়েছে, সেগুলোকেও একই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
মার্কিন নাগরিকদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা এমনকি অস্থায়ীভাবে সেখানে অবস্থানরত বিদেশীরাও এই সত্তাগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবেন না।
মার্কিন সরকারের মতে, এসব সত্তা ইরানকে আবার ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা পুনর্গঠনে সহায়তা করছে, যা অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ঘোষণাটি একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ, যার নাম অপারেশন ইকনমিক ফিউরি। এর লক্ষ্য হলো ইরানের বিশ্ব আর্থিক বাজারে প্রবেশ বন্ধ করা এবং প্রশাসনের আশা অনুযায়ী, ইরানকে এমন একটি চুক্তিতে আসতে চাপ দেয়া, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য।


