দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় ২৬ মরদেহ উদ্ধার
মার্চ ২৬, ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মার্চ ২৬, ২০২৬
দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় ২৬ মরদেহ উদ্ধার
মার্চ ২৬, ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মার্চ ২৬, ২০২৬

চলন্ত ট্রেনে আগুন নতুন কোচ সংযোজনের পর ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়বে চট্টলা এক্সপ্রেস

ঘটনার পর রেলওয়ের পরিবহন বিভাগ ১৮/৩৬ কম্পোজিশনের ট্রেনটির সামনের অংশ কেটে পার্শ্ববর্তী কুমিরা রেলওয়ে স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়

চট্টগ্রাম-ঢাকা রেলপথের ফৌজদারহাট সংলগ্ন বিএমএ গেইটের কাছে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেন চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুনের ঘটনায় কার ও একটি শীতাতপ কোচ পুড়ে গেছে। নতুন পাওয়ার কার ও একটি এসি কোচ সংযোজন শেষে বেলা ১১টার মধ্যে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

আজ সকাল ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্তঃনগর ট্রেনটিতে আগুনের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের একটি টিম ৬টা ৪৩ মিনিট নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় ১৫ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ট্রেনের রেক থেকে অন্য কোচগুলো খুলে ফেলা হলে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারেনি বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার পর রেলওয়ের পরিবহন বিভাগ ১৮/৩৬ কম্পোজিশনের ট্রেনটির সামনের অংশ কেটে পার্শ্ববর্তী কুমিরা রেলওয়ে স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ট্রেনটির পুড়ে যাওয়া ও পেছনের অক্ষত পাঁচটি কোচ নিকটবর্তী পাহাড়তলী শেডে নিয়ে যাওয়া হয়। নতুন পাওয়ার কার ও একটি এসি কোচ সংযোজন করে বেলা ১১টার মধ্যে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা ফায়ার স্টেশনের সহকারী কর্মকর্তা এহসান আলী জানান, ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে ট্রেনের আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তবে সকাল ৮টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়। আগুনে ট্রেনের পাওয়ার কার ও একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগি পুড়ে গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ও ঢাকার পথে ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকা পর্যন্ত ডাবল লাইন রেলপথ থাকলেও নিরাপত্তা বিবেচনায় ট্রেন চলাচল সামিয়ক বন্ধ থাকে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।

ফৌজদারহাটে ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে (ডিটিও) কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের কর্মকর্তারা জানান, আন্তঃনগর চট্টলা এক্সপ্রেসে পাওয়ার কারসহ ১৮টি বগি ছিল। পেছন দিক থেকে ছয় নম্বরে থাকা পাওয়ার কার এবং একটি এসি বগি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। তবে পাওয়ার কার বা জেনারেটর রাখা কোচ থেকে আগুন লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন রেল সংশ্লিষ্টরা।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) আনিসুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, আগুন লাগার পর ট্রেনটি দ্রত সময়ের মধ্যে থামানো হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হলে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসলে দুটি ছাড়া বাকি কোচগুলোতে আগুন ছড়াতে পারেনি।

নতুন কোচ লাগানোর মাধ্যমে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *