ট্রাম্পের আলোচনার দাবি সরাসরি নাকচ করল ইরানের সামরিক বাহিনী
মার্চ ২৫, ২০২৬
২৫ মার্চই ছিল অখণ্ড পাকিস্তানের শেষ রাত
মার্চ ২৬, ২০২৬
ট্রাম্পের আলোচনার দাবি সরাসরি নাকচ করল ইরানের সামরিক বাহিনী
মার্চ ২৫, ২০২৬
২৫ মার্চই ছিল অখণ্ড পাকিস্তানের শেষ রাত
মার্চ ২৬, ২০২৬

মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণ ও হোয়াইট হাইসের উদ্যোগে ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কলিউশন সামিটে যোগ দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের আয়োজিত শীর্ষ এই সম্মেলনে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এআই-এর দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। এজন্য বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে উন্নত বিশ্বের কাছে আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা শিশুদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুদিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ঐতিহাসিক ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এ আপনাদের সবার সাথে যোগ দিতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমাদের শিশুদের সম্ভাবনা এবং প্রতিটি জাতির আগামীর অঙ্গীকারের মতো মহৎ উদ্দেশ্যে আমাদের একত্রিত করার জন্য আমি ফার্স্ট লেডিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ লেখা হয় সেই দেশের শিশুদের জীবনের পাতায়। আজ আমরা তাদের যে শিক্ষা প্রদান করি এবং যে মূল্যবোধে তাদের বড় করি, তার মাধ্যমেই তারা আগামীদিনের জাতি গঠন করে।’

তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি কেবল চিকিৎসার ওপর নয়, বরং জীবনের প্রাথমিক পর্যায় থেকে রোগ প্রতিরোধের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছি।

ডা. জুবাইদা বলেন, শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে প্রযুক্তি, বিশেষ করে ‘এড-টেক’ (Ed-tech) কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। একইসঙ্গে, আমরা এই প্রযুক্তিগুলোর নিরাপদ এবং নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যাতে শিশুরা একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী উত্তরাধিকার রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানবাধিকার সমুন্নত করেছেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। আমাদের সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *