আলোচনার জন্য ইরান খুব দেরি করে ফেলেছে —ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্চ ৪, ২০২৬
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে একের পর এক ভেসে আসছে মৃত কচ্ছপ
মার্চ ৪, ২০২৬
আলোচনার জন্য ইরান খুব দেরি করে ফেলেছে —ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্চ ৪, ২০২৬
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে একের পর এক ভেসে আসছে মৃত কচ্ছপ
মার্চ ৪, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ অর্থ সংকটের কথা জানালেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি প্রশাসক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের তিন প্রশাসক।

গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন ও গাজীপুরের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। এ সাক্ষাতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা প্রধানমন্ত্রীকে অর্থ সংকটের কথা জানিয়েছেন।

সাক্ষাতের পর ঢাকার দুই মেয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘গত কয়েক মাসে যেভাবে রাজস্ব খাত থেকে কালেকশন আসার কথা সেভাবে আসেনি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কম হয়েছে। আমরা এ মুহূর্তে অর্থ সংকটে পড়েছি। আমরা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছি। সিটি করপোরেশন চালানোর জন্য আমরা তার (প্রধানমন্ত্রী) কাছে থোক বরাদ্দ চেয়েছি। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি লোকাল গভর্নমেন্ট মিনিস্ট্রিকেও যাতে উনি বলেন বিভিন্ন প্রকল্পকাজে আমাদের সহযোগিতা করা হয়।’

আবদুস সালাম বলেন, ‘ঢালাওভাবে তারা (বিগত প্রশাসক) যেসব ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছে সেটার ভিত্তিতে কাজ করলে সিটি করপোরেশন কলাপস করবে। কোনোভাবে সেটা করা যাবে না।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন করপোরেশনের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘করপোরেশন এখন ভঙ্গুর অবস্থায়। ফান্ড নেই অথচ ১ হাজার ৪৭০ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়েছে। সাবেক প্রশাসক যিনি ছিলেন তিনি ১০ তারিখে শেষ অফিস করে ৩৪টি ফাইল সই করে গেছেন যেখানে বিল দিতে হবে। আসলে কোনো টাকাই নেই। ২৫ কোটি টাকা আছে। রাজস্ব শাখা থেকে আমি যেটা জানতে পেরেছি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রতি মাসে স্যালারি আসে ১৩ কোটি টাকা। থাকবে ১২ কোটি, বিচার-বিশ্লেষণ আপনারাই করবেন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কীভাবে করব?’

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়ে দক্ষিণের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কথা একটাই যে পরিচ্ছন্ন ও সবুজায়ন ঢাকা এবং মশার উপদ্রব থেকে নগরবাসীকে রক্ষা—এ তিন বিষয়ের ওপরে উনি জোর দিয়েছেন। সামনে যেহেতু বর্ষা আসতেছে এবং ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে এ কারণে মশাকে যেকোনোভাবেই হোক নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আর ঢাকাকে ক্লিন করতে হবে, ঢাকা শহর যে একটা বর্জ্যের একটা কারখানা হয়ে গিয়েছিল সেটা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে।’

আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর ও গাজীপুর সবাই মিলে চেষ্টা করছি যাতে অতি দ্রুত অন্তত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটা সুন্দর ব্যবস্থায় আমরা আনতে পারি। মশক নিধনে এরই মধ্যে আমরা বিভিন্ন জায়গায় খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি। আমি ঢাকা শহর দক্ষিণে এক মাসের জন্য একটা ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু করেছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *