
জেদ্দা, রিয়াদ ও মাস্কাটে নির্ধারিত সময়সূচিতে পরিচালিত হবে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট
মার্চ ১, ২০২৬
খননের পর বরগুনার ৯ খালে ফিরেছে পানিপ্রবাহ
মার্চ ১, ২০২৬জাপানে চেরি ব্লসম বা সাকুরার মৌসুম সাধারণত শুরু হয় মার্চের শেষ দিক থেকে এপ্রিলজুড়ে।
পার্ক, নদীতীর আর রাস্তার দুইধারজুড়ে ফুটে থাকা গোলাপি ও সাদা ফুল বদলে দেয় শহরের চেহারা। চারদিকে তৈরি হয় উৎসবমুখর আবহ। অপূর্ব এ দৃশ্য উপভোগ করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে লাখো পর্যটক ভিড় জমান।
এবার জাপানের বিখ্যাত চেরি ব্লসম বা সাকুরা দেখার অপেক্ষায় থাকা পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য আগাম প্রস্তুতির বার্তা দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর স্বাভাবিক সময়ের অন্তত এক সপ্তাহ আগেই দেখা মিলতে পারে এ নান্দনিক ফুলের। জাপানের বেসরকারি আবহাওয়া পূর্বাভাস ও তথ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান জাপান মেটিওরোলজিক্যাল করপোরেশন (জেএমসি) গত বৃহস্পতিবার এ পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, বসন্তের শুরুতে গড় তাপমাত্রার চেয়ে বেশি উষ্ণতা থাকায় দেশজুড়ে এবার নির্ধারিত সময়ের আগেই চেরি গাছগুলোয় ফুল ফোটার সম্ভাবনা রয়েছে।
7
জেএমসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, জাপানের রাজধানী টোকিওতে ১৮ মার্চ সাকুরা প্রস্ফুটিত হতে শুরু করবে, যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অন্তত ছয়দিন আগে। শহরটিতে ২৬ মার্চের দিকে ফুলগুলো পূর্ণতা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাপানের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাকুরা প্রজাতি ‘সোমেই ইয়োশিনো’ সাধারণত পূর্ণ প্রস্ফুটনের এক সপ্তাহের মধ্যেই ঝরতে শুরু করে। অন্যান্য প্রধান শহরের মধ্যে ফুকুওকায় ১৮ মার্চ, কিয়োটোয় ২২ মার্চ এবং ওসাকায় ২৩ মার্চের দিকে চেরি ব্লসম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব শহরে ফুলগুলো পূর্ণতা পেতে আরো আট-দশ দিন সময় নিতে পারে। তবে অপেক্ষাকৃত শীতল উত্তরাঞ্চলীয় শহরগুলোয় সাকুরা ফুটবে বেশ দেরিতে, সেন্দাইতে আগামী ৪ এপ্রিল এবং সাপ্পোরোয় ২৫ এপ্রিল ফুল ফোটার সম্ভাবনা রয়েছে। সাকুরা গাছের ডালে প্রথম পাঁচ-ছয়টি ফুল ফুটলে ‘প্রস্ফুটন শুরুর দিন’ হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদিকে যখন গাছের প্রায় ৮০ শতাংশ বা তার বেশি কুঁড়ি ফুটে যায়, তখন তাকে বলা হয় ‘পূর্ণ প্রস্ফুটন’ বা ফুল ব্লুম। গত বছরের শরৎকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত তাপমাত্রার ধরন বিশ্লেষণ করে এ সম্ভাব্য তারিখগুলো নির্ধারণ করেছে আবহাওয়া সংস্থাটি। পাশাপাশি জাপানজুড়ে এক হাজারের বেশি সাকুরা দেখার স্থানের তথ্য দিতে একটি ইংরেজি স্মার্টফোন অ্যাপ চালু করেছে জেএমসি। এতে ম্যাপের পাশাপাশি প্রতিটি স্থানের জন্য নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। —খবর নিক্কেই এশিয়া


