প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
শ্রমবাজার সংস্কারে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি উল্টো বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বিএনপি সরকারের ওপর
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
শ্রমবাজার সংস্কারে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি উল্টো বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বিএনপি সরকারের ওপর
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চীন সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সাক্ষাৎকালে তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। সেই সঙ্গে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘চীন সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সে দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সফরের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বর্তমানে অনেকগুলো অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ (ডোমেস্টিক প্রায়োরিটি) রয়েছে। দেশের কাজ গুছিয়ে নিয়ে যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন, তখন চীনের এ আমন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’

পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে যে বিশাল ম্যান্ডেট পেয়েছেন, সেজন্য চীন সরকার সেটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গঠিত নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতেই মূলত চীনের রাষ্ট্রদূত এ সাক্ষাৎ করতে আসেন।

চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু উল্লেখ করে উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘এটি মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। এতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না হলেও দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কীভাবে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়া যায়, উভয় দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরো জোরদার করা যায়, এসব বিষয়ে সৌজন্যমূলক অঙ্গীকার করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ই এ সুদৃঢ় সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে চীন বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী। বিগত বছরগুলোয় চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, বর্তমান সরকার সেটিকে আরো সামনে এগিয়ে নিতে চায়।’

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতিকে স্বাগত জানিয়েছে চীন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব রকম সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন দেশটির প্রতিনিধি। সাক্ষাতের সময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *