টিসিবির কার্যক্রমে নাগরিক সমাজকে আরো সম্পৃক্ত করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
নগদে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
টিসিবির কার্যক্রমে নাগরিক সমাজকে আরো সম্পৃক্ত করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
নগদে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

পাকিস্তান টি-২০ দলে বাবরের ভূমিকাটা আসলে কী

৫টি টি-২০ বিশ্বকাপে ২১৭ বল খেলে বাবর আজমের রান মাত্র ১৮৭, অর্থাৎ স্ট্রাইক রেট ১০০-এরও নিচে (৮৬.১৭)। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে ২০০ বল খেলা ব্যাটারদের মধ্যে বাবরই একমাত্র প্লেয়ার যার স্ট্রাইক রেট ৯০-এর নিচে। হেসন সাফ জানিয়েছেন, পাওয়ারপ্লেতে এমন ধীরগতির ব্যাটিংয়ের প্রয়োজন নেই।

পাকিস্তানের টি-২০ দলে আর ওপেনিংয়ে ফিরছেন না বাবর আজম—এমনটাই নিশ্চিত করেছেন দলের কোচ মাইক হেসন। সুপার এইটের ম্যাচের আগে তিনি জানান, বাবরকে এখন মূলত মাঝের ওভারের ব্যাটসম্যান হিসেবেই দেখছেন তারা।

হেসন বলেন, ‘বাবর জানে যে তার টি-২০ বিশ্বকাপে পাওয়ারপ্লেতে স্ট্রাইক রেট ১০০-এর নিচে। এই ভূমিকায় আমরা তাকে চাই না। তবে মাঝের ওভারে সে দারুণ খেলতে পারে, দল চাপে পড়লে তাকে কাজে লাগানো যায়।‘

৫টি টি-২০ বিশ্বকাপে ২১৭ বল খেলে বাবর আজমের রান মাত্র ১৮৭, অর্থাৎ স্ট্রাইক রেট ১০০-এরও নিচে (৮৬.১৭)। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে ২০০ বল খেলা ব্যাটারদের মধ্যে বাবরই একমাত্র প্লেয়ার যার স্ট্রাইক রেট ৯০-এর নিচে। হেসন সাফ জানিয়েছেন, পাওয়ারপ্লেতে এমন ধীরগতির ব্যাটিংয়ের প্রয়োজন নেই।

বর্তমানে পাকিস্তান দলে বাবরের ভূমিকা বদলে হয়েছে চার নম্বর ব্যাটার। তবে সেখানেও তিনি খুব একটা বিধ্বংসী নন (স্ট্রাইক রেট ১২০-এর কাছাকাছি)। কোচ হেসনের মতে, বাবর এখন দলের জন্য একটি ‘ইমারজেন্সি সেফটি নেট’। অর্থাৎ দল দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লে তিনি হাল ধরবেন, কিন্তু দ্রুত রান তোলার ক্ষেত্রে অন্যদের ওপরই ভরসা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। এমনকি নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ফিনিশিংয়ের প্রয়োজনে বাবরকে নামানোই হয়নি, যা তার ক্যারিয়ারে প্রথম। বদলে খাজা নাফায় ও শাদাব খান নেমেছিলেন। হেসন ব্যাখ্যা দেন, শেষের ওভারে আরো ‘কার্যকর’ ব্যাটার থাকায় বাবরকে পাঠানো হয়নি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঝের ওভারে মিচেল স্যান্টনার ও রাচিন রবীন্দ্র বাবরের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারেন। যদিও তারা কেউই বাবরকে কখনও আউট করতে পারেননি, তবে রান তোলার হার ছিল মন্থর।

এ অবস্থায় বাবরের ভূমিকা এখন যেন ‘ইমারজেন্সি অ্যাঙ্কর’—দল বিপদে পড়লে ভরসা, কিন্তু জয়ের পরিকল্পনার কেন্দ্রে নয়। ক্রিকেটীয় দক্ষতার চেয়ে প্রশাসনিক ও জনসমর্থনের কারণে তিনি দলে থাকলেও, নিজের কার্যকরিতা প্রমাণে তাকে নতুন করে লড়াই করতে হচ্ছে। তাই তার জায়গা আগে ঠিক, তারপর সেই জায়গার মতো ভূমিকা তৈরি করা হচ্ছে। বাবর কি ক্রিকেটীয় দর্শনের উল্টো দিকে দাঁড়াচ্ছেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *