
ইয়ং জেনারেশন ‘ইনকিলাব’ নিয়ে গর্ব করে, আমার রক্তক্ষরণ হয়: বিদ্যুৎমন্ত্রী
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
টিসিবির কার্যক্রমে নাগরিক সমাজকে আরো সম্পৃক্ত করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুদের মাসিক সম্মানি ও উৎসব ভাতা দেবে সরকার। শিগগিরই কয়েকটি এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হবে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে চালু হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুদের মাসিক সম্মানি ও উৎসব ভাতা দেবে সরকার। শিগগিরই কয়েকটি এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হবে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে চালু হবে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেটে তিনি এসব কথা জানান।
প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী অফিস করেছেন জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, তিনি কার্যালয়ে প্রবেশের পর বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবরা সেখানে ছিলেন। নিজ নিজ দায়িত্বের অবস্থান থেকে কীভাবে নীতিমালাগুলো কার্যকর করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে আলোচনা করেন আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়ে। সেটি হলো- দেশের বিভিন্ন মসজিদের সম্মানিত খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য মাসিক সম্মানি ও উৎসব ভাতা প্রদান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আসন্ন ঈদের আগেই পর্যায়ক্রমে প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কিছু কিছু স্থানে সম্মানিত খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান শুরু করা হবে।
কত টাকা করে প্রদান করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। একটি কমিটি করা হয়েছে। টেকনিক্যাল টিম এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর আন্তঃমন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে। কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন। তবে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, ঈদের আগেই কিছু কিছু স্থানে এ কার্যক্রম শুরু হবে।
মাহাদী আমিন বলেন, বিএনপির আরেকটি বড় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল- মেধার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি। সরকারি ও বেসরকারি চাকরি, উদ্যোক্তা তৈরি এবং বিদেশে জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্রে কীভাবে জনগণকে আরো দক্ষ ও যোগ্য করে তোলা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার কীভাবে আনা যায়, টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে কীভাবে আরো গুরুত্ব দেয়া যায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা খাতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা সংস্কার ও ডিরেগুলেশন কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়- এসব বিষয়েও বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাস এবং বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী দূতাবাসগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কীভাবে আমাদের জনশক্তিকে দক্ষ করে বিদেশে পাঠানো যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিববৃন্দ তাদের মূল্যবান মতামত প্রদান করেছেন। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জনগণের প্রতি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু করবে।


