
আজ বিকালে মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিএনপির এমপিরা শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা পরিষদের শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা পরিষদের শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয়ায় বিরোধী জোটটি এ সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানানো হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্ধারিত কক্ষে গতকাল বিকালে দলীয় সংসদীয় বৈঠক শেষে বের হওয়ার পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম তারা (বিএনপি) ও আমরা উভয়ে দুটি করে শপথ নেব। এরপর বিকালের অধিবেশনে মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেব আমরা। সেভাবেই আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। আমাদের মানসিক প্রস্তুতিও ছিল। কিন্তু আমরা ধাক্কা খেয়েছি। আমরা আমাদের জুলাই শহীদদের অশ্রদ্ধা করতে পারি না, জুলাই যোদ্ধাদেরও অশ্রদ্ধা করতে পারি না। সে কারণে আমাদের শত ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শপথ অনুষ্ঠানে আমরা যে অংশগ্রহণ করতে পারলাম না, সে জন্য একটা আফসোসের জায়গা থেকে গেল।’
সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে গতকাল শপথ নেয়ার কথা ছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সবার। তবে সকালবেলা বিএনপির নবনির্বাচিত এমপিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। এ বিষয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এটা এখনো ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেয়াবেন, সেটা বিধান করতে হবে। সেগুলো সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদে গৃহীত হওয়ার পর জাতীয় সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেয়ার বিধান করা যাবে বিধায় আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে এ পর্যন্ত এসেছি।’
বিএনপির এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জামায়াত জোট প্রথমে কোনো শপথই নেবে না বলে হুমকি দেয়। পরে অবশ্য তারা উভয়ে শপথ নিলেও প্রতিবাদস্বরূপ মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি।


