
সাইবার বুলিং প্রতিরোধসহ নারীর নিরাপত্তায় নানা প্রতিশ্রুতি দলগুলোর
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬
দেশব্যাপী ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরো ৯০ পর্যবেক্ষক মোতায়েন
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬আরপিও অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি ২০২৫-এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত দল, মনোনীত বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষ থেকে কেউ ভোটের তিন সপ্তাহ পূর্বে প্রচার শুরু করতে পারবেন না এবং ভোট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সমস্ত প্রচার শেষ করতে হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শেষ হয়েছে। ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়। গত ২২ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই প্রচার কার্যক্রম চলে মোট ২০ দিন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সেদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) গত ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে মারা যাওয়ায় ওই আসনে নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি ২০২৫-এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত দল, মনোনীত বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষ থেকে কেউ ভোটের তিন সপ্তাহ পূর্বে প্রচার শুরু করতে পারবেন না এবং ভোট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সমস্ত প্রচার শেষ করতে হবে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারণা ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় বন্ধ হবে—যা ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা পূর্বের সময়সূচি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। দেশে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২,৭৭৯টি।
মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।
দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি—ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী নিয়ে নির্বাচনে আছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (প্রতীক—হাতপাখা)। জামায়াতের ২২৯ জন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে অংশ নিচ্ছেন। জাতীয় পার্টির ১৯৮ জন লাঙ্গল প্রতীকে লড়ছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির ৩২ জন শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ফুটবল প্রতীক ব্যবহার করছেন।


