
খুলনা-৬ আসনে জয়ের আশা বিএনপির, প্রত্যাবর্তন চায় জামায়াত
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
গোপালগঞ্জ-১ আসন কারাবন্দি বাবার পক্ষে প্রচারণায় ছেলে
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬দেশের শস্যভাণ্ডারে নতুন সংযোজন হলো আরো ছয়টি উচ্চফলনশীল ধানের জাত।
দেশের শস্যভাণ্ডারে নতুন সংযোজন হলো আরো ছয়টি উচ্চফলনশীল ধানের জাত। যার মধ্যে রয়েছে দুটি হাইব্রিড জাত। সর্বশেষ ছয়টি জাত সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত ধানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৭-এ।
গত বৃহস্পতিবার কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় নতুন উদ্ভাবিত এসব ধানের জাত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাষাবাদের জন্য অবমুক্ত করা হয়েছে। সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান সভাপতিত্ব করেন। এতে ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সূত্র জানায়, ব্রি উদ্ভাবিত ধানের বিভিন্ন জাত ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে পৌঁছানোর ফলে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। স্বাধীনতার আগে যেখানে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ছিল ২০ শতাংশ, এখন তা ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। অথচ খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে প্রায় চার গুণ। এগুলো দেশের কৃষিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
নতুন উদ্ভাবিত ধানের জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ জাত, লবণাক্ততা সহনশীল, ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী, হাওরাঞ্চলের উপযোগী ঠাণ্ডা সহনশীল জাত এবং ঢলে পড়া প্রতিরোধী দুটি হাইব্রিড জাতের ধান। ব্রি-১১৫ জাতটি ভিটামিন-ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কালো চালের জাত, যা বাংলাদেশের প্রথম উচ্চফলনশীল কালো চালের ধান।
অন্যদিকে ব্রি-১১৬ বোরো মৌসুমের উচ্চফলনশীল জাত, যা শক্ত ও মজবুত গাছের কারণে সহজে হেলে পড়ে না। ব্রি-১১৭ স্বল্প জীবনকালীন লবণাক্ততা সহনশীল ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী জাত। হাওরাঞ্চলের জন্য উপযোগী জাত ব্রি-১১৮-এর হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ছয়-আট টন। ব্রি-৯ ও ব্রি-১০ ঢলে পড়া প্রতিরোধী এবং লবণাক্ততা সহনশীল।


