
আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দেব না, কাজ দেব: জামায়াত আমির
জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
ঊর্ধ্বমুখী এশিয়া-প্যাসিফিকের অধিকাংশ শেয়ার সূচক
জানুয়ারি ২৫, ২০২৬তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেইয়ের আইকনিক ‘তাইপেই ১০১’ এর চূড়ায় আরোহণ করেন তিনি। তবে সাধারণ পর্বতারোহীদের মতো নয়, কোনো নিরাপত্তা দড়ি বা সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই (ফ্রি সলো) ১ হাজার ৬৬৭ ফুট উচ্চতার এই দানবীয় কাঠামো জয় করেছেন তিনি।
আকাশছোঁয়া উচ্চতা আর মৃত্যুর হাতছানিকে তুচ্ছ করে ইতিহাস গড়লেন বিশ্বখ্যাত মার্কিন রক ক্লাইম্বার অ্যালেক্স হনল্ড। রোববার তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেইয়ের আইকনিক ‘তাইপেই ১০১’ এর চূড়ায় আরোহণ করেন তিনি। তবে সাধারণ পর্বতারোহীদের মতো নয়, কোনো নিরাপত্তা দড়ি বা সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই (ফ্রি সলো) ১ হাজার ৬৬৭ ফুট উচ্চতার এই দানবীয় কাঠামো জয় করেছেন তিনি। খবর এপি।
সকাল ৯টার দিকে যখন হনল্ড আরোহণ শুরু করেন, নিচ থেকে হাজার হাজার মানুষ রুদ্ধশ্বাসে তাকিয়ে ছিল তার দিকে। পরনে ছিল একটি লাল টি-শার্ট, যা বিশাল ভবনের দেয়ালে একটি ছোট বিন্দুর মতো দেখাচ্ছিল। আরোহণের সবচেয়ে কঠিন অংশ ছিল ‘ব্যাম্বু বক্স’ বা বাঁশের আকৃতির মধ্যবর্তী ৬৪টি তলা। এখানে ভবনটি বাইরের দিকে ঝুঁকে থাকায় প্রতি পদক্ষেপে ছিল ছিটকে পড়ার ভয়। হনল্ড মূলত ভবনের কোণ এবং ছোট ছোট এল-আকৃতির খাঁজগুলোকে আঁকড়ে ধরে নিজেকে ওপরের দিকে টেনে তোলেন।
এই সম্পূর্ণ ফ্রি সলো সরাসরি সম্প্রচার করেছে নেটফ্লিক্স। বৃষ্টির কারণে অভিযানটি একদিন পিছিয়ে গেলেও রোববার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় হনল্ড তার চিরচেনা ক্ষিপ্রতায় মাত্র ১ ঘণ্টা ৩১ মিনিটে চূড়ায় পৌঁছে যান। নিচে জড়ো হওয়া শত শত মানুষ উল্লাসে ফেটে পড়ে যখন হনল্ড চূড়ায় দাঁড়িয়ে দুই হাত তুলে করেন বিজয়োল্লাস। এটিই বিশ্বের ইতিহাসে কোনো দড়ি ছাড়া উচ্চতম কোনো ভবনে আরোহণের রেকর্ড।
হনল্ডের এই কৃতিত্ব বিশ্বজুড়ে যেমন প্রশংসা কুড়াচ্ছে, তেমনি তৈরি হয়েছে বিতর্কও। কোনো সুরক্ষা ছাড়াই এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ লাইভ সম্প্রচার করার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তবে হনল্ডের মতে, এটি তার দীর্ঘদিনের সাধনা। এর আগে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার এল ক্যাপিটান পাহাড় জয় করে বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছিলেন, যা নিয়ে ‘ফ্রি সলো’ নামক অস্কারজয়ী তথ্যচিত্রও নির্মিত হয়েছে।0


