
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা
জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কুড়িগ্রামে সেতুর পাটাতন ভেঙে যানচলাচল বন্ধ
জানুয়ারি ২১, ২০২৬নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত ২৯৮ আসনে ৩০৫ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় এবং ৪৩১ জন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৬৭ জন। অবশিষ্ট দুটি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এখনো চলমান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত ২৯৮ আসনে ৩০৫ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় এবং ৪৩১ জন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৬৭ জন। অবশিষ্ট দুটি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এখনো চলমান।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আজ বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পাবেন। এরপর বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের প্রচার শুরু করবেন তারা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ২৯ ডিসেম্বর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এরপর ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এতে বৈধ প্রার্থী দাঁড়ান ১ হাজার ৮৫৮ জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে আপিল গ্রহণ শুরু হয়, যা চলে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। এ সময় মোট ৬৩৯ জন প্রার্থী আপিল করেন। ১০ জানুয়ারি আপিল শুনানি শুরু হয়ে টানা ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে।
আপিল প্রক্রিয়ায় ৬৪৫ জন আবেদন করলেও প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩১ জন। ফলে সোমবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ২৮৯ জন।
তবে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ক্ষেত্রে ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ দুই আসনে আগে বৈধ ঘোষিত ১১ জন প্রার্থী (আগের তফসিল অনুযায়ী যেখানে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ১৩ জন) এই তালিকা থেকে বাদ পড়বেন। ভোটের তারিখ অপরিবর্তিত রেখে এ দুটি আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।


