পাবনার ঈশ্বরদীতে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বরিশালের জিহাদ রানা
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বরিশালের জিহাদ রানা
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬

নাব্য সংকটে বন্ধের উপক্রম যমুনার ১০ নৌপথ

বগুড়ার সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা এ তিন উপজেলা যমুনা নদীবেষ্টিত।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা এ তিন উপজেলা যমুনা নদীবেষ্টিত। যমুনার ভাঙন ও জেগে ওঠা চরের কারণে তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের বসতি পরিবর্তন করতে হয়েছে বারবার। সাধারণত জানুয়ারি থেকে নদ-নদীর পানি কমতে থাকে। এ ধারা অব্যাহত থাকে মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত। এ সময় নদীতে নাব্য সংকট দেখা দেয়। বছরের শুরুতে সারিয়াকান্দি উপজেলার কালীতলা ও দীঘলকান্দি হার্ডপয়েন্টের উজান থেকে ভাটিতে চর জেগে ওঠায় কালীতলা ঘাট থেকে সারিয়াকান্দি-মাদারগঞ্জ রুটে সরাসরি নৌ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। উপজেলার হাসনাপাড়া-দিঘাপাড়া, কাজলা-বেনিপুর, চকরতিনাথ-কর্ণিবাড়ী নোয়াপাড়া খেয়াঘাটে সরাসরি নৌকা চলাচল বন্ধ রয়েছে। গ্রামগুলোর আশপাশের ছোট ছোট অন্তত ১০টি নৌপথও বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।

নদীপাড়ের বাসিন্দারা বলছেন, বগুড়ার তিনটি উপজেলার মধ্যে সারিয়াকান্দিতে বর্ষায় যমুনা নদী তার প্রমত্তা রূপ ধারণ করে। একই রূপ ধারণ করে জেলার সোনাতলা ও ধুনট উপজেলায়ও। পানিপ্রবাহে নদীর উভয়পাশে ভাঙন দেখা দেয়। ডুবে যায় গ্রামের পর গ্রাম। গত বছর বন্যা খুবই কম হওয়ায় এ বছর পানিপ্রবাহ কমেছে। এ কারণে একদিকে জেগে উঠেছে নতুন চর। আবার পানিপ্রবাহ না থাকায় নৌপথে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। গত কয়েক মাসে নদীর পানি কমতে কমতে একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। বেশকিছু ডুবোচরেরও সৃষ্টি হয়েছে। পানিপ্রবাহ কম থাকায় ডুবোচরে আটকে যাচ্ছে ইঞ্জিনচালিত নৌকা। সারিয়াকান্দি উপজেলার একমাত্র ব্যস্ততম নৌরুট সারিয়াকান্দি-মাদারগঞ্জ নৌপথ। এ রুট দিয়েই প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী চলাচল ও পণ্য পরিবহন করা হয়। পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নাব্য সংকটে সারিয়াকান্দি উপজেলার পারতিতপরল গ্রামের আলতাফ আলীর খেয়াঘাট, হাসনাপাড়া খেয়াঘাট, নিজবলাই খেয়াঘাট, দিঘাপাড়া খেয়াঘাট, চারালকান্দি খেয়াঘাটসহ বেশকিছু খেয়াঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। নৌকা চলাচল করছে না এ নৌপথে।

সারিয়াকান্দির আলতাফ আলী খেয়াঘাটের মাঝি আলতাফ আলী জানান, নাব্য সংকটে খেয়াঘাট গত কয়েক মাস বন্ধ রয়েছে। যত টাকা দিয়ে নৌঘাটটি ইজারা নিয়েছেন, সে টাকা এ বছর উঠবে না। ঘাট বন্ধ থাকায় বেকার সময় কাটাতে হচ্ছে। কোনো যাত্রীও এ পথে আসছে না।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীকে ঘিরে একটি নৌবন্দর স্থাপনের প্রস্তাবনা রয়েছে। সেটির কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। নৌবন্দর স্থাপন হলে সড়কে চাপ কমে যাবে এবং নৌপথ সচল থাকবে। নিয়মিত ড্রেজিং পরিচালনা করা হবে। বিআইডব্লিউটিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড এসব নিয়ে কাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *