অবৈতনিক শিক্ষাদানে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
নাব্য সংকটে বন্ধের উপক্রম যমুনার ১০ নৌপথ
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
অবৈতনিক শিক্ষাদানে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
নাব্য সংকটে বন্ধের উপক্রম যমুনার ১০ নৌপথ
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা

পাবনার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। বাস, ট্রাক, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানিও বাড়ছে।

পাবনার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। বাস, ট্রাক, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানিও বাড়ছে। আহত হয়ে পঙ্গু হচ্ছে শত শত মানুষ। গত বছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু ঈশ্বরদীর সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৫৬টি। এতে নিহত হয়েছেন ২৩ জন ও আহত হয়েছেন ১৭১ জন।

হাইওয়ে পুলিশ বলছে, উপজেলার সড়কগুলোয় ট্রাক-বাস, অটোরিকশা, ভটভটি ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। নতুন নতুন আইন করেও দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা যাচ্ছে না। ট্রাফিক আইন না মানা ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। ঈশ্বরদী-পাবনা, দাশুড়িয়া-মুলাডুলি, দাশুড়িয়া-কুষ্টিয়া, দাশুড়িয়া-পাবনা সড়ক-মহাসড়কে দিন দিন যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে। সড়কে মূলত যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, ট্রাক, সিএনজি ও মোটরসাইকেলে অতিরিক্ত গতিতে চলাচল করায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। মামলা করার পরও চালকরা ট্রাফিক আইন মানছেন না।

হাইওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঈশ্বরদীতে যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেশি, বিশেষ করে মোটরসাইকেল। অধিকাংশ চালক ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালান না। ওভারটেক আর নির্দিষ্ট গতিবেগের চাইতে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোয় সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছে।

উপজেলার দাশুড়িয়ায় সনি পরিবহনের টিকিট কাউন্টার পরিচালনা করেন আবুল হাশেম। তিনি বলেন, ‘যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও সড়ক প্রশস্ত করার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে হলে প্রতিটি সড়কের মাঝে ডিভাইডার থাকতে হবে। যারা দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালান, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা ও অবৈধ নছিমন, করিমন চলাচল বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মীর আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কে দুর্ঘটনা হোক, এটা আমরা কখনো চাই না। ট্রাফিক নিয়ম না মেনে যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে আমি মনে করি। কিছু দুর্ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এগুলো বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।’

সার্বিক বিষয়ে পাকশী হাইওয়ে থানার এসআই মো. নান্নু খান বলেন, ‘ট্রাফিক আইন না মেনে গাড়ি চালানো, চালকের বেপরোয়া মনোভাব ও অতিরিক্ত গতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। যান্ত্রিক ত্রুটি, সড়কে খানাখন্দ, অপ্রশস্ত সড়ক, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে চালকদের অজ্ঞতা বা অনীহা, লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক ইত্যাদি কারণেও সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কে মোটরসাইকেল চালকের অধিকাংশই তরুণ। তারা দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালান। এ কারণে দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *