ভালোবাসা দিবসে নতুন গল্পে সাদিয়া আয়মান
জানুয়ারি ১২, ২০২৬
সুপার কাপ মাদ্রিদের মরু বিভ্রম, জেদ্দার ‘শেখ’ রাফিনিয়া আর চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬
ভালোবাসা দিবসে নতুন গল্পে সাদিয়া আয়মান
জানুয়ারি ১২, ২০২৬
সুপার কাপ মাদ্রিদের মরু বিভ্রম, জেদ্দার ‘শেখ’ রাফিনিয়া আর চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬

স্প্যানিশ সুপার কাপ বার্সাকে গার্ড অব অনার না দিতে সতীর্থদের নির্দেশ ‘সোর লুজার’ এমবাপ্পের

সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় ছিল তরুণ ডিফেন্ডার রাউল আসেনসিওর প্রতি এমবাপ্পের আচরণ। আসেনসিও যখন বার্সা খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন ক্যামেরায় দেখা যায় এমবাপ্পে রাগান্বিত স্বরে তাকে কিছু বলছেন এবং সেখান থেকে সরে আসতে বাধ্য করছেন।

জেদ্দায় স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে ৩-২ গোলে হারের পর বিতর্কে জড়িয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। পরাজয়ের গ্লানি সইতে না পেরে বিজয়ী দল বার্সেলোনাকে প্রথাগত ‘গার্ড অব অনার’ দিতে সতীর্থদের নিষেধ করার অভিযোগ ওঠেছে তার বিরুদ্ধে। প্রখ্যাত সাংবাদিক আলফ্রেদো মার্তিনেসের বরাতে এই খবরটি চাউর হতেই ফুটবল বিশ্বে শুরু হয়েছে তোলপাড়। কাতালান সম্প্রচারমাধ্যম এস্পোর্ত থ্রিও সেই দাবির পক্ষে ভিডিও প্রকাশ করেছে। খবর ফোর্বস।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পর যখন বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা শিরোপা নিতে মঞ্চের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জাবি আলোনসো তার শিষ্যদের নির্দেশ দেন দুই সারিতে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষকে সম্মান জানাতে—যাকে স্পেনে ‘পাসিলো’ বলা হয়। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে এবং গণমাধ্যম এস্পোর্ত থ্রির প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, এমবাপ্পে তার সতীর্থদের সেই সম্মান প্রদর্শন না করে সরাসরি ডাগআউটের দিকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন।

সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় ছিল তরুণ ডিফেন্ডার রাউল আসেনসিওর প্রতি এমবাপ্পের আচরণ। আসেনসিও যখন বার্সা খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন ক্যামেরায় দেখা যায় এমবাপ্পে রাগান্বিত স্বরে তাকে কিছু বলছেন এবং সেখান থেকে সরে আসতে বাধ্য করছেন।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

এমবাপ্পের এই আচরণের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেক জনপ্রিয় এক্স অ্যাকাউন্ট তাকে ‘সোর লুজার’ বা পরাজয় মেনে নিতে না পারা সংকীর্ণ মনের খেলোয়াড় হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। স্প্যানিশ সংবাদপত্র ‘স্পোর্ত’ এ ঘটনাকে ‘অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ’ বলে বর্ণনা করে লিখেছে, ‘এটি ছিল একেবারেই অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ, যা বার্সা সমর্থকদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে এবং এমবাপ্পের একটি পরিচিত ভাবমূর্তিকেই তুলে ধরেছে।‘

এদিকে দলের পরাজয় এবং এমবাপ্পের আচরণ নিয়ে চাপে থাকা রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো যেন আগুনে ঘি ঢাললেন। বার্সেলোনাকে সরাসরি অভিনন্দন জানানোর বদলে তিনি এই টুর্নামেন্টকেই খাটো করে দেখার চেষ্টা করেন। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদ যেসব প্রতিযোগিতায় খেলে, তার মধ্যে এই সুপার কাপ সবচাইতে কম গুরুত্বপূর্ণ।‘

তবে বাস্তবতা হলো, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বড় স্প্যানিশ ট্রফির লড়াইয়ে বার্সেলোনাই বারবার রিয়ালকে পেছনে ফেলছে। এরই মধ্যে চারটি বড় শিরোপায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে জয় পেয়েছে কাতালানরা। এমন প্রেক্ষাপটে এমবাপ্পেকে ঘিরে এই বিতর্ক রিয়াল মাদ্রিদের ভেতরের চাপ ও অস্থিরতাকেই আরো স্পষ্ট করে তুলেছে। আর আলোনসোর ওপর চাপও এখন অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *